ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ জাতীয় ]

ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ৫ সেপ্টেম্বর

অবৈধ সম্পদ অর্জন
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩:০০, ১৪ আগস্ট ২০২২
ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ৫ সেপ্টেম্বর
ফাইল ছবি

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালত নতুন এ দিন ধার্য করেন। এ পর্যন্ত মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

এদিন আসামি ডিআইজি মিজান ও তার ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে উপস্থিত হয়ে আরো সাক্ষী নিবেন বলে জানান। এরপর আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত। তবে ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না ও ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান পলাতক থাকায় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

২০২০ সালের ২০ অক্টোবর একই আদালত ডিআইজি মিজানুর রহমানসহ চার জনের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

Advertisement

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে ২০১৯ সালের ২৪ জুন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

আরো পড়ুন> সেই শিক্ষিকার মৃত্যু: চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন কেয়ারটেকার 

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি মিজানুর রহমান তার ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানের নামে ২৪ লাখ ২১ হাজার ২২৫ টাকায় শুলশান-১ এর পুলিশ প্লাজা কনকর্ডে ২১১ বর্গফুট আয়তনের একটি দোকান বরাদ্দ নেন। এছাড়া মিজানুর রহমান নিজে নমিনী হয়ে তার ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানের নামে ২০১৩ সালের ২৫ নভেম্বর একটি ব্যাংকে এফডিআর অ্যাকাউন্ট করে ৩০ লাখ টাকা জমা করেন। তবে দুদকের অনুসন্ধান চালু হওয়ার পরে সে টাকা ভাঙিয়ে সুদে-আসলে ৩৮ লাখ ৮৮ হাজার ৫৭ টাকা তুলে নেয়া হয়।

অভিযোগে আরো বলা হয়, মিজানুর রহমান তার স্ত্রী রত্না রহমানের নামে কাকরাইলে ১৭৭৬ বর্গফুটের একটি বাণিজ্যিক ফ্ল্যাট ক্রয়ে ২০১১ সালে চুক্তিনামা করে বিভিন্ন সময় ১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৬ হাজার ৩৫০ টাকা নির্মাণ কোম্পানিকে পরিশোধ করেন। পরে ২০১৬ সালে ফ্ল্যাটটি ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানের নামে দলিল রেজিস্ট্রি করেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!