মঙ্গলবার সংসদ ভবনের পার্লামেন্ট মেম্বার্স ক্লাবে ‘প্রস্তাবিত যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২২’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
ডেপুটি স্পিকার বলেন,এ ধরনের অপরাধ শুধু আইনের মাধ্যমে সমাজ থেকে বিলুপ্ত হবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সংবেদনশীল হতে হবে।
.png)
তিনি আরো বলেন, যৌন হয়রানির মামলায় সাধারণত সাক্ষী পাওয়া যায় না। তাই আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সব ধরনের প্রতিবন্ধকতাকে বিবেচনায় নিয়ে খসড়া প্রস্তুত করতে হবে। পূর্ণাঙ্গ এবং যুগোপযোগী একটি আইন তৈরিতে সবার মতামত গ্রহণ করে বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে খসড়া প্রস্তুত করতে হবে।
এ সময় সংসদ সদস্য বাসন্তী চাকমা, আদিবা আনজুম মিতা, জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের সহ-সভাপতি শাহিন আক্তার ডলিসহ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, অতিরিক্ত ডিআইজি, আইন মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।