শনিবার (১০ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ ও প্লাস্টিক দূষণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত ইউনিলিভার বাংলাদেশ (ইউবিএল) এবং ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ইপসা) আয়োজিত এই ক্যাম্পেইনে প্রায় একশ’ তরুণ স্বেচ্ছাসেবক ও ইউনিলিভারের কর্মীরা অংশ নেন।
সম্প্রতি পালিত ‘আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস-২০২২’ উদযাপনের অংশ হিসেবে এবং প্রকৃতি থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণে স্বেচ্ছাসেবকদের প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করতে এই সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
.png)
এদিন ৩৫ নং ওয়ার্ড-এর কাউন্সিলর হাজী নুরুল হক, ইপসা-এর চিফ এক্সিকিউটিভ মো. আরিফুর রহমান এবং ইউনিলিভার বাংলাদেশ-এর এমপ্লয়ি রিলেশন্স লিড সানাউল্লাহ মল্লিকের উপস্থিতিতে নগরীর কর্ণফুলী ব্রিজে প্লাস্টিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমটি শুরু হয় এবং স্বেচ্ছাসেবকরা নদী ও পরিবেশে পলিথিন এবং অন্যান্য প্লাস্টিক ফেলার ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে স্থানীয় জনসাধারণকে অবহিত করেন।
ইউনিলিভার বাংলাদেশ, ইপসা’র সঙ্গে অংশীদারিত্ত্বের ভিত্তিতে একটি প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প চালু করেছে এবং বন্দর নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে কাজ করছে ও শহর থেকে ৩২০০ টন ব্যবহৃত প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করেছে।
এ উপলক্ষে ইউনিলিভার বাংলাদেশ-এর কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স পার্টনারশিপ অ্যান্ড কমিউনিকেশনস ডিরেক্টর শামিমা আক্তার বলেন, প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহে একটি টেকসই ভ্যালু চেইন তৈরি করতে আমরা ২০২১ সাল থেকে বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি।
ইপসা-এর চিফ এক্সিকিউটিভ মো. আরিফুর রহমান বলেন, প্লাস্টিকের কারণে আমাদের চট্টগ্রাম শহরের মূল “লাইফলাইন” কর্ণফুলী নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাচ্ছে, পানি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং সামগ্রিকভাবে আমাদের পরিবেশ হুমকির মুখে পড়ছে। সবার সহযোগিতায় আমরা চট্টগ্রাম শহর ও কর্ণফুলী নদীকে প্লাস্টিকমুক্ত করতে সক্ষম হবো।