বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের বাসিন্দাদের তাদের মাতৃভূমিতে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ, স্বেচ্ছায় ও টেকসই প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে আশ্রয়ের বিশাল বোঝা থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ এখন কক্সবাজার ও ভাসানচরে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিচ্ছে। মন্ত্রণালয় জানায়, সীমান্তবর্তী ও প্রতিবেশি দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
.png)
মিয়ানমার রিপাবলিক অব ইউনিয়নের স্বাধীনতার হীরক জয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণ মিয়ানমারের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছে।