বিইআরসির বর্তমান কমিশনের মেয়াদ ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত। এর মধ্যেই বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিতে চায় কমিশন। এ লক্ষ্যে গত রোববার গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে চলতি মাসেই নতুন মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা আসবে বলে জানিয়েছিলেন বিইআরসি চেয়ারম্যান আবদুল জলিল।
মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) গুঞ্জন ওঠে মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা আসতে পারে আজই। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, এমন কোনো ঘোষণা এখনই আসার সম্ভাবনা নেই।
.png)
বিইআরসির বিদ্যুৎ বিষয়ক সদস্য বজলুর রহমান বলেন, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কোনো ঘোষণা মঙ্গলবার নেই। ঘোষণা এলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
বিদ্যুৎ সচিব হাবীবুর রহমান বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে আজকে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি সংক্রান্ত কোনো ঘোষণা নেই।
গত রোববার বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে গণশুনানিতে বিইআরসির কারিগরি কমিটি প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের খুচরা মূল্য ১ টাকা ১০ পয়সা বৃদ্ধির সুপারিশ করে। সে হিসেবে খুচরায় বিদ্যুতের মূল্য গড়ে ৭ টাকা ১৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ২৩ পয়সা করার সুপারিশ করা হয়। এ হিসেবে দাম বৃদ্ধি করলে গড়ে বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে ১৫ দশমিক ৪৩ ভাগ।
গণশুনানি শেষে সমাপনী বক্তব্যে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বলেন, কমিশনের মেয়াদ রয়েছে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত। তার মধ্যেই বিদ্যুতের দামের বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হবে।
গত বছরের ২১ নভেম্বর বিদ্যুতের পাইকারি দাম ১৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বৃদ্ধি করে বিইআরসি। এরপর বিদ্যুতের খুচরা দাম বৃদ্ধির আবেদন করে বিতরণ প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা বলছে, পাইকারি দাম বৃদ্ধির পর খুচরা দাম না বাড়ালে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে।
সবশেষ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সব পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। সে সময় পাইকারিতে দাম ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ গ্রাহক বা খুচরা পর্যায়ে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ানো হয়।