ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ জাতীয় ]

আরাভের সাবেক স্ত্রী কেয়া পুলিশ হত্যার আসামি, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:০৬, ২২ মার্চ ২০২৩
আরাভের সাবেক স্ত্রী কেয়া পুলিশ হত্যার আসামি, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
সাবেক স্ত্রী কেয়ার সঙ্গে আরাভ। ছবি: সংগৃহীত

দুবাইয়ের আলোচিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও পুলিশ হত্যা মামলার আসামি আরাভ খানের এক সময়ের স্ত্রী ছিলেন মেহেরপুরের গাংনীর মেয়ে সুরাইয়া আক্তার কেয়া। তালাকের পর বর্তমানে নতুন স্বামীর সঙ্গে মালয়েশিয়ায় তিনি অবস্থান করছেন। এই কেয়া পুলিশ কর্মকর্তা হত্যা মামলার আসামি। 

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে মেহেরপুরের গাংনী থানা-পুলিশ। উপজেলার গাড়াডোব গ্রামে কেয়ার বাড়িতে সোমবার অনুসন্ধানে যায় পুলিশ। এসময় কেয়ার বাবা আবুল কালাম আজাদ জানান, জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রামের শাহিন হোসেন নামের এক যুবককে বিয়ে করে বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন কেয়া।

পুলিশকে আরো জানান আজাদ, কেয়া তার মেয়ে হলেও বর্তমানে যোগাযোগ নেই। স্ত্রী মনোয়ারা খাতুনের সঙ্গে তার ছাড়াছাড়ি হয় ২০১০ সালে। এর পর মনোয়ারা বিয়ে করে সদর উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রামে থাকেন। মায়ের কাছে থেকেই কেয়া ২০১০ সালে এসএসসি পাশ করেন। এরপর তাকে ঢাকার একটি ম্যাটস কলেজে ভর্তি করা হয়। সেই সময় প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বর্তমানে আলোচিত আপন ওরফে আরাভের সঙ্গে। 

Advertisement

২০১৪ সালে কেয়া গ্রামে খালার বাড়ি বেড়াতে আসেন। এর একদিন পর আরাভও তার এক বন্ধুকে নিয়ে গ্রামে আসেন। পরদিন কেয়ার মামার মোটরসাইকেল ও কেয়াকে নিয়ে পালিয়ে যায় আরাভ। সেই থেকে মেয়ের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ নেই তার।

তিনি বলেন, লোক মারফত জানতে পারেন কেয়া ও আরাভ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। তারপর তারা আরো একবার গাড়াডোব গ্রামে আসেন। দুদিন গ্রামে থাকলেও তিনি মেয়ে ও জামাতার মুখোমুখি হননি। কিছুদিন যেতে না যেতেই খবর আসে, কেয়া একটি পুলিশ হত্যা মামলার আসামি। পরে জেলেও যেতে হয় কেয়াকে। এ সময় কেয়াকে আপন তালাক দেন। দীর্ঘ কয়েক বছর হাজতবাস করার পর ২০২২ সালে জামিনে মুক্তি পান কেয়া।

গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কেয়া আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে পরিচয়ে আরাভ খানকে বিয়ে করেন। যদিও শেষ পর্যন্ত তাদের বিচ্ছেদ হয়। পুলিশ পরিদর্শক হত্যা মামলার আসামি কেয়ার অনুসন্ধানে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়গুলো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হচ্ছে। তারা পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডআর
ট্যাগ: পুলিশ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!