সোমবার তিতাসের জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিটি প্রিপেইড মিটারের লাইফ ১০ বছর বিবেচনা করে এর মূল্য, ইনস্টলেশন, ওয়েব সিস্টেম, মিটার ও সার্ভার মেইন্টেন্যান্স চার্জ ইত্যাদি যাবতীয় ব্যয় বাবদ প্রতিটি মিটারের মূল্য দাঁড়ায় কমবেশি ২৫ হাজার টাকা। তিতাস গ্যাস কোম্পানি ঋণ গ্রহণ করে এসব মিটারের ব্যবস্থা করেছে।
মিটারের সমুদয় মূল্য একসঙ্গে না নিয়ে গ্রাহকদের সুবিধার্থে মাসিক ভাড়া আদায়ের মাধ্যমে উক্ত খাত সমন্বয় করা হচ্ছে। সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত মোতাবেক পেট্রোবাংলার আওতাধীন সব গ্যাস বিতরণ কোম্পানির আবাসিক প্রিপেইড মিটারের মাসিক ভাড়া ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০ টাকা পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।
.png)
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গ্রাহকদের সুবিধার্থে সরকার আবাসিক গ্যাসের মূল্য প্রতি ঘনমিটার মাত্র ১৮ টাকা পূর্ব থেকেই নির্ধারণ করেছে। অথচ ২০২৩ সালে দেশে উৎপাদিত গ্যাস ও আমদানীকৃত এলএনজির মিশ্রিত মূল্য গড়ে প্রতি ঘনমিটারে ১৮ টাকার চেয়ে অনেক বেশি। অর্থাৎ, আবাসিক খাতে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের বিপরীতে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। তাই আবাসিক খাতে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি অবান্তর। বিষয়টি নিয়ে সবার সহযোগিতা চেয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।