ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ জাতীয় ]

জিম্মি হওয়া জাহাজের খাবার দিয়ে যতদিন বাঁচা সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৪:২৯, ১৩ মার্চ ২০২৪
জিম্মি হওয়া জাহাজের খাবার দিয়ে যতদিন বাঁচা সম্ভব
ছবি: সংগৃহীত

ভারত মহাসাগরে বাংলাদেশের একটি জাহাজ ২৩ জন বাংলাদেশি নাবিকসহ জলদস্যুদের হাতে জিম্মি রয়েছে। জলদস্যুরা বাংলাদেশি পতাকাবাহী ‘এমভি আবদুল্লাহ’ জিম্মি করে সোমালিয়া উপকূলের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। 

জানা গেছে, জিম্মিদের ভয় দেখাতে একের পর এক গুলি ছুড়ছে। এর মধ্যে নতুন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, পর্যাপ্ত খাবার না থাকাসহ সুপেয় পানির সংকট।

জানা যায়, দস্যুদের কবলে পড়া জাহাজটি ২৫ দিনের মতো খাবার রয়েছে। এ ছাড়া বিশুদ্ধ পানি রয়েছে প্রায় ২০০ টন।

Advertisement

জাহাজের চিফ অফিসার মো. আবদুল্লাহকে এক অডিও বার্তায় বলেন, জাহাজে খাবার পানি আছে অল্প, যা দিয়ে আর ২০-২৫ দিন টিকে (বেঁচে) থাকা যাবে। কার্গোগুলো একটু এদিক-সেদিক হলেই অগ্নিকাণ্ডের মতো ভয়াবহ বিপদ আসতে পারে।

৩ মিনিট ৩৪ সেকেন্ডের সেই অডিও বার্তায় জিম্মিদশার পুরো ঘটনা বর্ণনা করেছেন জাহাজের চিফ অফিসার মো. আবদুল্লাহ। দেশে পরিবারকে দেখেশুনে রাখার আকুতি জানিয়েছেন।

সোমালিয়ান জলদস্যুরা জাহাজে ওঠার পর কার সঙ্গে কী আচরণ করেছে সেই বর্ণনাও দিয়েছেন তিনি। অডিও বার্তার শুরুতেই সালাম দিয়ে তার নাম বলেন। জানান, সাড়ে ১০টার সময় একটা হাইস্পিড বোট জাহাজের দিকে আসতে দেখে এলার্ম বাজানো হয়। সহায়তার জন্য বিভিন্ন জায়গায় ফোন দিলেও তারা রিসিভ করেনি। এর মধ্যে জলদস্যু চলে আসে।

জাহাজে উঠেই দস্যুরা ক্যাপ্টেন ও সেকেন্ড অফিসারকে জিম্মি করে। এরপর সবাইকে একসঙ্গে করে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। সেকেন্ড অফিসারকে হালকা মারধর করেছে তবে আর কারো গায়ে হাত তোলেনি তারা।

এর কয়েক মিনিটের মধ্যে ফিশিং বোট নিয়ে আরও জলদস্যু আসতে থাকে। সবার হাতেই প্রায় অস্ত্র ছিল। নানা ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল। এ সময় তাদের বোটের তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশি জাহাজের পাম্প দিয়ে তেল নিয়ে নেয়। এরপর জাহাজের ইঞ্জিনও বন্ধ করে দেয় তারা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডআর
ট্যাগ: জিম্মি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!