শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আবহাওয়া অধিদফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান।
আজিজুর রহমান বলেন, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে যে গতিতে এগোচ্ছে তা অব্যাহত থাকলে এটি রোববার (২৬ মে) রাত ৯টা থেকে ১২টার মধ্যে উপকূলে আঘাত করতে পারে। সমুদ্রবন্দরগুলোতে এখন ৩ নম্বর সতর্ক-সংকেত রয়েছে। (সন্ধ্যা বা রাতে) ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়ে গেলে তখন এর অবস্থা অনুযায়ী সতর্ক-সংকেতেও পরিবর্তন আসবে।’
.png)
আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক বলেন, বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি শনিবারের মধ্যে আরো শক্তি সঞ্চয় করে রাত ৯টায় ঘূর্ণিঝড় রেমালে রূপ নিতে পারে। ঘূর্ণিঝড় হওয়ার পর এটি খুব দ্রুত, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আঘাত হানতে পারে উপকূলে। খুব বেশি সময় এটি আমাদের দেবে না।
তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত করতে পারে। ফলে খুলনার সুন্দরবন থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম পর্যন্ত সব উপকূলীয় জেলার আওতায় পড়বে। সুতরাং এখানে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা ও নোয়াখালী জেলা ঘূর্ণিঝড়ের আওতায় পড়বে।
আজিজুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সারা দেশে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। ২৪ ঘণ্টায় ৩০০ থেকে ৩৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সারা দেশে একরকম বৃষ্টি হবে না। উপকূলীয় এলাকায়, বিশেষ করে চট্টগ্রাম, বরিশাল ও নোয়াখালী জেলায় বৃষ্টি বেশি হবে।