মঙ্গলবার দুপুরে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে বেনজীর আহমেদ চাইলে অনুসন্ধান কর্মকর্তা ১৫ দিন সময় দিতে পারবে বলে জানিয়েছেন দুদক কমিশনার।
রোববার জানা যায়, গত ৬ মাসে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ তার অ্যাকাউন্ট থেকে কত টাকা তুলেছেন, সেই টাকা কোথায় নেয়া হয়েছে, সে বিষয়ে খোঁজ চলছে।
.png)
এদিকে দুদক আইনজীবী অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান বলেছেন, ভুক্তভোগীরা চাইলে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ এবং থানায় মামলা করতে পারবেন।
তিনি বলেন, আগামী ৬ জুন বেনজীর আহমেদকে দুদক কার্যালয়ে ডাকা হয়েছে। এর আগে কিছুই বলা যাচ্ছে না। দুদক তাকে সুযোগ দিয়েছে। এখন এটি তার বিষয়, তিনি সেটি গ্রহণ করবেন কিনা।
এর আগে, গত ২৬ মে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী জিশান মির্জা, বড় মেয়ে ফারহিন রিসতা বিনতে বেনজীর এবং ছোট মেয়ে তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে বিভিন্ন সম্পত্তির দলিল, ঢাকায় ফ্ল্যাট ও কোম্পানির আংশিক শেয়ারসহ ১১৯টি স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত।
এদিকে ক্রোকের নির্দেশ পাওয়া সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে ১১৯টি দলিল, এর মধ্যে ঢাকায় ৪টি ফ্ল্যাট। এ ছাড়া ২০৪২ স্কয়ার ফিট ২টি এবং ২০৫৩ স্কয়ার ফিট ২টি। ৪টি নিজ নামীয় কোম্পানি, ৪টি বিও অ্যাকাউন্ট। ১৫টি আংশিক মালিকানাধীন কোম্পানির শেয়ার।