সরেজমিনে য়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার ইচাইল গ্রামে তাদের এলাকায় গিয়ে পাওয়া গেছে বেশ কিছু তথ্য।
স্থানীয়রা জানান, চার ভাই-বোনের মধ্যে সাখাওয়াত বড় আর সায়েম সবার ছোট। তাদের বাবা সায়েদ আলী প্রায় ৪০ বছর ধরে ওয়েল্ডিংয়ের ব্যবসা করেন। প্রাথমিকের গণ্ডি পার হতে পারেননি সাখাওয়াত। মা মারা যাওয়ার পর পড়াশোনা ছেড়ে এক যুগ আগে গ্রামে অটোরিকশার এসিড পানির ব্যবসা শুরু করেন তিনি।
.png)
বছর দেড়েক ব্যবসা করে সুবিধা করতে পারেননি। এরপর এসএসসি পাস ছোটভাই সায়েমকে নিয়ে ঢাকায় চলে যান। সেখানে শুরু করেন ওয়াটার ফিল্টার বিক্রি ও মেরামতের ব্যবসা। গত ঈদে ঢাকা থেকে দামি প্রাইভেটকার নিয়ে আসেন বাড়িতে। তবে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় তারা গ্রেফতার হওয়ায় হতবাক গ্রামবাসী।
জানা গেছে, পানির ফিল্টারের ব্যবসা করে ঢাকায় একটি ফ্লাট কিনেছেন সাখাওয়াত। ময়মনসিংহের বাইপাসে জমি রয়েছে তার। সাদা রঙের প্রাইভেটকারে করে বাড়িতে আসতেন দুই ভাই। সর্বশেষ গত রোজার ঈদে দুই ভাই বাড়ি এসেছিলেন। প্রায়ই বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন।
সাখাওয়াত-সায়েমের বাবা সাহেদ আলী বলেন, আমার ছেলেদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। তারা যদি প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকতো তাহলে সেই টাকা কোথায়। ছেলেরা ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ব্যবসা করছে। লোনের টাকায় গাড়ি কিনেছে। তাদের প্রায় কোটি টাকা ব্যাংকে ঋণ আছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ১৫ বছর আগেও তার বাবা আমার বাড়িতে ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করেছে। ১০ বছর আগে তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা এমন ছিল না। হঠাৎ করে গাড়ি কেনা, দেশ বিদেশে ভ্রমণ করা অস্বাভাবিক মনে হয়।
ফুলবাড়ীয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন বাদল বলেন, ইছাইল গ্রামের সাহেদ আলী ও তার দুই ছেলে মো. সাখাওয়াত হোসেন ও সাইম হোসেনকে চিনতাম না। তবে ঢাকায় গ্রেফতার হওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আসে।