বুধবার (৭ আগস্ট) সেনাবাহিনীর সহয়তায় সেখানে প্রবেশ করে সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
জানা গেছে, ডিবি কার্যালয়ের ডিবিপ্রধানের ভবনের নিচতলায় দেখা যায়, সেখানে রয়েছে কয়েকটি কক্ষ। যেখানে মানুষদের ধরে এনে আটকে রাখা হতো। ওই স্থানে গিয়ে ঘোষণা দেওয়া হয় কেউ যদি আটকা থাকেন তবে সাড়া দেন; সেনাবাহিনী আপনাদের উদ্ধার করতে এসেছে। তবে সেখানে কেউ সাড়া দেয়নি। অর্থাৎ সবগুলো কক্ষ ছিল ফাঁকা। পরে ডিবি অফিসের একটি কক্ষের আলমারি খুলে পাওয়া যায় ১৩ লাখ নগদ টাকা। স্কচ একটি বান্ডিলে ৮ লাখ, একটি বান্ডিলে ৩ লাখ ও আরেকটি বান্ডিলে ২ লাখ টাকা পাওয়া যায়।
.png)
ডিবির মতিঝিল বিভাগের এসআই সুজা নামের একজন আলমারির ড্রয়ার খুলে টাকাগুলো নিজের বলে দাবি করেন।
তিনি বলেন, এই টাকা তার। তিনি ব্যাংক থেকে উঠিয়ে রেখেছিলেন। বাড়ি যাবেন বলে তিনি টাকাগুলো নিতে বুধবার (৭ আগস্ট) ডিবি কার্যালয়ে যান। পরবর্তীতে টাকাগুলো নিয়ে তিনি বেরোতে পারেননি।