গ্রামীণ অঞ্চলের ৮০ শতাংশ এলাকার ৩ কোটি ৬০ লাখের বেশি গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। যা বিদ্যুৎ সরবরাহের দিক দিয়ে সর্বোচ্চ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দাবি আদায় না হলে সমিতির কর্মচারীরা পূর্ণ কর্মবিরতিতে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠী বিদ্যুৎ বিভ্রাটে (ব্ল্যাকআউট) পড়তে পারেন।
.png)
এ নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আন্দোলনের সমন্বয়ক প্রকৌশলী রাজন কুমার দাস গণমাধ্যমে বলেন, আমরা যে দুই দফা দাবি দিয়েছি তা যুক্তিযুক্ত ও ন্যায্য। দাবি নিয়ে বেশ কয়েকবার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনায় বসলেও কোনো সঠিক সমাধান আমরা পাইনি। আমরা বুঝতে পারছি পল্লী বিদ্যুৎ এবং বিদ্যুৎ বিভাগ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না।
তিনি আরো বলেন, এবার আমরা ৭২ ঘণ্টার একটা আলটিমেটাম দিয়েছি। যদি এর মধ্যে সুষ্ঠু সমাধান না আসে তাহলে ঘোষণা অনুযায়ী আমরা গণ ছুটিতে যাবো। এরই মধ্যে সমিতির ৪০ হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা (মোট কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ৪৫ হাজারের কাছাকাছি) ছুটির আবেদন করেছে। যদি দাবি না মানা হয় তাহলে এসব কর্মকর্তা-কর্মচারী ছুটিতে গেলে দেশজুড়ে বিদ্যুতের ব্ল্যাকআউট হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
এর আগে আন্দোলনের বিষয়বস্তু তুলে ধরে গত শনিবার এক বার্তায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জানায়, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৪৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী সপ্তাহে সাত দিনই রোদ, ঝড়, বৃষ্টি উপেক্ষা করে দেশের ৮০ ভাগ অঞ্চলের প্রায় ১৪ কোটি মানুষকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দ্বৈতশাসন, বৈষম্য ও নিপীড়ন থেকে মুক্তির জন্য আরইবি-পবিস একীভূতকরণসহ অভিন্ন চাকরিবিধি বাস্তবায়ন এবং সব অনিয়মিত/চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের নিয়মিতকরণের দুই দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।