আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের মুখপাত্র ডা. আব্দুল আহাদ বলেন, ঢামেকে যত চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করবেন তাদের প্রত্যেকের বিপরীতে তত নিরাপত্তাকর্মী না দেওয়া পর্যন্ত আমরা কাজে ফিরবো না। আর আগামী ৭ দিনের মধ্যে চিকিৎসক সুরক্ষা আইন না করলে রুটিন ওয়ার্কেও ফিরবো না।
এর আগে, ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান বলেছিলেন, চিকিৎসকরা জরুরি চিকিৎসা সেবা চালু করবেন। আমরা তাদের নিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছি। চিকিৎসকদের মারধরের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের আটক বা গ্রেফতার করার পর পরই তারা সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসা সেবা দেবেন। আপাতত এখন থেকে জরুরি চিকিৎসা সেবা শুরু হচ্ছে।
.png)
চিকিৎসকরা কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কমপ্লিট শাটডাউন আর নেই। এটা থেকে চিকিৎসকরা সরে এসেছেন। তারা এখনই জরুরি সেবা চালু করছেন। তারা যে নিশ্চয়তা চেয়েছিল স্বাস্থ্য উপদেষ্টা তা দিয়েছেন।
ঢামেক পরিচালক আরো বলেন, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ এবং সিভিলে আনসার সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। চার বাহিনী মিলিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। ওয়ার্ডে, আইসিইউতে যেসব রোগী ভর্তি আছে তাদের চিকিৎসা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া ক্যাজুয়ালিটি, নিউরো সার্জারি এবং জরুরি বিভাগ চালু হচ্ছে।