সোমবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ‘মহানবী (সা.) এর সাম্য ও সম্প্রীতির আদর্শ’ শীর্ষক আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, নবী করিম (সা.) আমাদের জন্য অনুসরণীয় আদর্শ। হাদীসের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, মুসলিম রাষ্ট্রে যদি কোন মুসলমান কোন অমুসলিম নাগরিকের ওপর অত্যাচার কিংবা জুলুম করে তবে কিয়ামতের দিন মহানবী (সা.) সেই মুসলিমের বিপক্ষে দাঁড়াবেন। যুদ্ধের ময়দানে নারী ও শিশুদের প্রতি একজন মুসলিম যোদ্ধার নীতি কী হবে, সেই বিষয়েও নবী করিম (সা.) নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। এছাড়া, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও রাসুল (সা.) অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। আমাদের প্রিয় নবী (সা.) এক হাজার ৪০০ বছর আগে পৃথিবীতে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
.png)
ড. খালিদ হোসেন বলেন, নবী করিম (সা.) হলেন সারাবিশ্বের জন্য সুসংবাদদাতা। তিনিই মানব সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেন। তার পূর্বে সমাজে নারীর কোন মর্যাদা ছিলো না, বরং নারীদেরকে নানাভাবে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হতো।
তিনি বলেন, আমরা যদি সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্যপূর্ণ একটি দেশ গড়তে চাই তাহলে নবী (সা.) এর আদর্শ মেনে চলা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন- সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূইয়া, সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি মোরসালিন নোমানী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও বিএফইউজের সাবেক সভাপতি এম আবদুল্লাহ প্রমুখ।