খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জি এম আবুল কালাম কায়কোবাদ বর্তমানে এনবিআরের কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সদস্য হিসেবে কর্মরত। নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন তিনি।
অভিনব পদ্ধতিতে ছেলে ইশতিয়াক ফয়সাল শুভকে ব্যবহার করে অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন কায়কোবাদ। তার কারণে রাষ্ট্র হাজার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
.png)
কায়কোবাদের যত সম্পদ
অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে দেশ-বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন এনবিআর সদস্য কায়কোবাদ। এর মধ্যে রয়েছে- ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীতে শেলটেক কুঞ্জোকুঠির নামক ভবনে ৫ কোটি টাকার ১টি ফ্ল্যাট। পল্টনের বিজয় নগরে নাভানা শামস আঞ্জুম নামক ভবনে রয়েছে প্রায় ১৭ কোটি টাকার বাণিজ্যিক ফ্লোর। পূর্বাচলের ১২/এ সেক্টরে রয়েছে ১৬ কোটি টাকা মূল্যের ৭.৫ কাঠার দুটি প্লট।
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকে ২৫ কোটি টাকা মূল্যের ৫ কাঠা জমিসহ ৯ তলা বাড়ি এবং কে-ব্লকে ১৫ কোটি টাকা মূল্যের ১০ কাঠার প্লট। ধানমন্ডির ১০-এ নম্বর রোডের ৭৫ নম্বর বাড়িতে স্ত্রীর নামে কেনা ৮ কোটি টাকা মূল্যের ৩০০০ বর্গফুটের আধুনিক ফ্ল্যাট। নিজ জেলা সাতক্ষীরায় প্রায় ২০০ বিঘা জমি।
কানাডাতেও সুবিশাল বাড়ি রয়েছে এনবিআর সদস্য কায়কোবাদের। দেশটির ‘৯৯০৫ সোথারল্যান্ড স্ট্রিট, ফোর্ট এমসি মারি আলবার্টা, কানাডা টি৯ এইচআইভি৩’ ঠিকানায় থাকা অত্যাধুনিক ভিলার মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫০ কোটি টাকা।
এনবিআরের কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সদস্য জি এম আবুল কালাম কায়কোবাদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।