শনিবার গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে তিনি বলেন, আজ সন্ধ্যার মধ্যেই গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতি হবে।
প্রকৌশলী রফিকুল বলেন, এ ছাড়া রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের জন্য যে এলএনজি টার্মিনালটি গেল ৭২ ঘণ্টা বন্ধ রাখা হয়েছে, সেটা থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়বে।
.png)
তিনি বলেন, দেশের দুটো এলএনজি টার্মিনাল থেকে ১১০০ এমএমসিএফডি সক্ষমতার বিপরীতে ৭৮০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা যাবে।
এর অর্থ হচ্ছে, সরবরাহের ক্ষেত্রে ৩২০ এমএমসিএফডি গ্যাসের ঘাটতি আছে এখনো। তবে শিগগিরই গ্যাস সংকটের সুরাহা হচ্ছে না বলেও জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার এই কর্মকর্তা।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এ কোম্পানির এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, চলতি জানুয়ারিতে দুটো এলএনজি টার্মিনালের জন্য অন্তত ১০টি কার্গো দরকার। কিন্তু সরবরাহের জন্য এ পর্যন্ত সাতটি কার্গো নিশ্চিত করা হয়েছে।
দেশে বর্তমানে দুইটি এফএসআরইউ রয়েছে। যা থেকে দৈনিক এক হাজার থেকে ১১০০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা হয়। দেশে বর্তমানে মোট গ্যাস উৎপাদন দুই হাজার ৯০০ এমএমসিএফডি।