আল্লাহ তাআলা বান্দার নামাজ আদায়ের জন্য ওজুকে করেছেন ফরজ। বিনা ওজুতে ফরজ ইবাদত করা গুনাহের কাজ। অনেকেই নিজেকে পবিত্র করতে অনেক সময় খালি গায়ে অজু করে থাকেন। এতে একটি প্রশ্ন এসে যায় যে, খালি গায়ে অজু করলে অজু হবে কিনা।
ইসলামবিষয়ক এক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠানে এমন এক প্রশ্নের জবাবে বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ বলেন, কেউ যদি খালি গায়ে অজু করে তাহলে তার অজু হয়ে যাবে কোনো সন্দেহ নেই। এতে অজু বিনষ্ট হওয়ার কোনো কারণ নেই। অজু ভঙ্গকারী বা অজুর জন্য ক্ষতিকর বা মাকরু বা অপছন্দনীয় কাজ এটি নয়।
.png)
অজুর যে আরকান রয়েছে, সেগুলো যদি ঠিকমতো আদায় করে থাকেন তাহলে তার অজু হয়ে যাবে।
যে সব কারণে ওজু ভঙ্গ হয়: পেশাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে কোনো কিছু বের হওয়া। দেহের কোনো অংশ থেকে রক্ত, পুঁজ বের হয়ে যদি পবিত্র হওয়ার বিধান প্রযোজ্য হয়। অর্থাৎ গড়িয়ে পড়ে। মুখ ভর্তি বমি অর্থাৎ বেশি পরিমাণে বমি হলে। নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হলে।
ঘুমানো- চিৎ হয়ে; কাত হয়ে; হেলান দিয়ে কিংবা কোনো কিছুর সঙ্গে ঠেস দিয়ে ঘুমালে যা সরিয়ে ফেললে ঘুমন্ত ব্যক্তি পড়ে যাবে। অজ্ঞান হওয়ার পর; এমন অজ্ঞান যাতে বোধ শক্তি লোপ পায়। অপ্রকৃতিস্থতা। যা ঘুম বা নিদ্রার চেয়েও প্রবল।
রুকু-সাজদা বিশিষ্ট নামাজে অট্ট হাসি; তবে জানাজা নামাজে, তিলাওয়াতে সিজদায় এবং নামাজের বাইরে হাসলে অযু নষ্ট হবে না। পেছনের রাস্তা দিয়ে অর্থাৎ পায়খানার রাস্তা দিয়ে কীট বের হলে পবিত্রতা অর্জন তথা অযু করতে হবে।
ফোঁড়া বা ফোস্কার চামড়া তুলে ফেলার কারণে যদি পানি বা পুঁজ বের হয়ে ফোঁড়া বা ফোস্কার মুখ অতিক্রম করে তাহলে পবিত্র নষ্ট হবে।
পুরুষ ও নারীর গুপ্তাঙ্গ কোনো অন্তরায় ব্যতিত একত্রিত হলে; বীর্যপাত হোক আর না হোক ওজু নষ্ট হবে।
ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে