শবে কদর উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের প্রতিটি মসজিদেই মুসল্লিদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এদিন এশার আজানের আগ থেকেই মুসল্লিরা মসজিদে আসা শুরু করেন।
পবিত্র রমজানে যেসব মসজিদে খতমে তারাবি হচ্ছে সেগুলোতে কোরআনে পাকের খতম সম্পন্ন হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত।
.png)
হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও এই রাতের ইবাদত উত্তম বলে কোরআনে কারিমে আল্লাহ তায়ালা লাইলাতুল কদরকে অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন।
লাইলাতুল কদর রাতে করুণাময় আল্লাহর অশেষ রহমত ও নেয়ামত বর্ষিত হয়। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় ইবাদত-বন্দেগি করেন।
পবিত্র রমজান মাসের লাইলাতুল কদরে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়। তাই মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা বাসা-বাড়ি ও মসজিদে ইবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকেন।
সারাদেশের মুসলমানরা নফল নামাজ আদায়, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আসকার, দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে পবিত্র এই শবে কদরের রজনী কাটাবেন।
শবে কদর উপলক্ষে রোববার সরকারি ছুটি থাকবে।
এদিকে পবিত্র শবে কদর ১৪৪৫ হিজরি উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল হয়েছে। সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘পবিত্র শবে কদরের ফজিলত ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার, যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী জামেয়া ইসলামিয়া জামে মসজিদের মুফতি মাওলানা সাকিবুল ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. মহা. বশিরুল আলম।