মঙ্গলগ্রহ খুঁড়ে সেখান থেকে পাথরের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। এরপর আঙুলের সমান একটি পাথরখণ্ডকে বাতাসহীন টিউবে ঢুকিয়ে পৃথিবীতে পাঠানো হবে। খবর বিবিসি
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মঙ্গলে সফল অবতরণ করে নাসার পারসিভারেন্স। একই সঙ্গে তৈরি হলো ইতিহাস। এই প্রথম মঙ্গলে উড়ল অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার ইনজেনুইটি। ল্যান্ডারের পেটে বাঁধা এই হেলিকপ্টার মঙ্গলের আকাশে ঘুরছে। সংগ্রহ করছে নানা নমুনা।
.png)
কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে পাঠানো ছবির তথ্য বিশ্লেষণ করে ধারণা মেলে, এক সময় হয়তো হ্রদ ছিল জেজিরো খাদের অংশটি। এ ধারণা সত্য হলে সেখানে প্রাচীন ক্ষুদ্র জীবাণুধর্মী প্রাণের অস্তিত্ব মিলতে পারে বলেও মনে করা হয়।
মঙ্গলগ্রহে প্রাণ এবং পানির প্রমাণ খুঁজতে কাজ করছে নাসার এই মার্স হেলিকপ্টার। এর পাশাপাশি গ্রহটির ভূ-প্রাকৃতিক গঠন, বায়ুমণ্ডলীয় স্তর এবং অন্যান্য বিষয় নিয়েও গবেষণা করেছে ইনজেনুইটি। তবে হেলিকপ্টার বলা হলেও আসলে এটি একটি ক্ষুদ্র ড্রোন।
বিজ্ঞানীদের মতে, মঙ্গলে কখনও প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কি না, সে বিষয়টি নিশ্চিত হতে লাল গ্রহটি থেকে সংগৃহীত উপাদান পৃথিবীতে এনে গবেষণাগারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিশ্লেষণের বিকল্প নেই।