শুক্রবার সেই ছবিটি প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে নাসা। সেই সঙ্গেই আবার সামনে এসেছে জেমস-এর তোলা একটি সেলফিও, যা আসলে তার প্রাথমিক আয়নার। কী দেখা গেল সেই ছবিতে?
জেমস ওয়েব থেকে তোলা প্রথম ছবিটিতে দেখা গেছে, ২৫৮ আলোকবর্ষ দূরে একটি তারার আলো। দুইশ’ কোটি পিক্সেলের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সেই ‘এইচডি-৮৪৪০৬’ নামের একটি নক্ষত্রের আলো। এটি আসলে উরসা মেজর নক্ষত্রপুঞ্জের একটি তারা।
.png)
এই নক্ষত্রের আলোর ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছে বিস্ময়কর দূরবীক্ষণ যন্ত্রটিতে বসানো এনআইআর-ক্যাম। ক্যামেরাটি মোট ১৮টি আয়নার সেগমেন্টের সাহায্যে নক্ষত্রের আলো শনাক্ত করে। প্রথমবারের মতো কোনো নক্ষত্রের আলো একই সঙ্গে সব আয়নায় দেখা গেছে, যা সেলফির মাধ্যমে ধারণ করেছে জেমস ওয়েবের বিশেষ ক্যামেরা।
আরিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মার্সিয়া রাইকে বলছেন, ছবি তোলা এবং টেলিস্কোপ সারিবদ্ধ করার প্রথম ধাপগুলো কতটা ভালোভাবে এগিয়ে চলেছে, তা দেখে পুরো জেমস ওয়েব টিম আনন্দিত। আগামী কয়েক মাসে টেলিস্কোপটিকে সারিবদ্ধ এবং ফোকাস করার জন্য মানমন্দিরের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হবে।
Bonus image! When it’s time to focus, sometimes you need to take a good look at yourself.
This “selfie” taken by Webb of its primary mirror was not captured by an externally mounted engineering camera, but with a special lens within its NIRCam instrument. #UnfoldTheUniverse pic.twitter.com/XtzCdktrCA
জেমস ওয়েব দলের প্রাথমিক লক্ষ্য হল, এর ১৮টি আয়না সমন্বয় করে একটি তারকার একক ছবি তোলা। বিজ্ঞানী মার্শাল পেরিন আরও যোগ করে বলছেন, অনুসন্ধানের প্রথম দিকে কেন্দ্রের খুব কাছের সমস্ত ১৮টি অংশ থেকে আলো পেয়েছি। এটি আয়না প্রান্তিককরণের জন্য একটি দুর্দান্ত সূচনা পয়েন্ট।
মহাবিশ্ব সৃষ্টির শুরুর দিকের নক্ষত্রের সন্ধানে ১ হাজার কোটি ডলার ব্যয় করে জেমস ওয়েব প্রস্তুত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা, কানাডিয়ান মহাকাশ সংস্থা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মহাকাশ সংস্থা ইএসএ। টেলিস্কোপটি গত ২৫ ডিসেম্বর মহাশূন্যের উদ্দেশে ছুটে যায়।