উত্তরপ্রদেশের সুরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন যশস্বী। মাত্র ১১ বছর বয়সেই বাবার হাত ধরে ভারতের মুম্বাইয়ে চলে আসেন তিনি। তখন থেকে শুরু ক্রিকেট খেলা। স্বপ্ন দেখতেন ক্রিকেটার হবেন, কিন্তু আর্থিক প্রতিবন্ধকতা ছিল অনেক বেশি। তাই খেলার ফাঁকে ফুচকা ও পুরি বিক্রি করে খরচ যোগাতেন তিনি।
মুম্বাইয়ের সিনিয়র দলের হয়ে এখন পর্যন্ত মাত্র একটি ম্যাচ খেলেছেন যশস্বী। গত মৌসুমে রঞ্জি ট্রফিতে ছত্তিশগড়ের বিরুদ্ধে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয় তার। এখন পর্যন্ত ৯টি লিস্ট-এ ম্যাচ খেলেছে এ ক্রিকেটার।
.png)
মূলত চলতি বছর অনুষ্ঠিত বিজয় হাজারে ট্রফিতে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে নির্বাচকদের নজর কাড়েন যশস্বী। ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ১৫৪ বলে ২০৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে নিজের প্রতিভার পরিচয় রাখেন মুম্বাইয়ের বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান। এরইমধ্যে যশস্বীকে বাঁ-হাতি বিরাট কোহলি বলে ডাকতে শুরু করেছে তার সতীর্থরা।
অনেক অভাবের সংসারেও ক্রিকেটকে ছাড়েননি। বহু ত্যাগ স্বীকার করেছেন। শেষ পর্যন্ত ক্রিকেটের প্রতি অগাধ ভালোবাসার প্রতিদান পেলেন পেশায় ফুচকা বিক্রেতা যশস্বী। প্রায়ই অর্ধেক দিন না খেয়ে কাটিয়েছেন। থাকার জায়গা না পেয়ে তিন বছর তাঁবুতে রাত কাটাতে হয়েছে এ দরিদ্র ক্রিকেটারকে। তবুও ক্রিকেট অনুশীলন ছাড়েননি। অনুশীলন শেষে আজাদ ময়দানে রাম লীলার সময় ফুচকা বিক্রি করে কিছু টাকা উপার্জন করতেন তিনি।
বহু কষ্টের পর অবশেষে পূরণ হতে চলছে যশস্বীর স্বপ্ন। একদিন মূল জাতীয় দলের জার্সি গায়ে বিশ্ব মাতাবেন তিনি, এ আশায় আছেন যশস্বীর বাবা।