আগের ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও ৩ উইকেট নিয়েছেন তাসকিন। উইকেটে পেসারদের জন্য খুব বেশি কিছু ছিল না। এর মাঝেই নতুন বলে আগুন ঝরা বোলিং উপহার দিয়েছেন এই ফাস্ট বোলার।
মিরপুর শের এ বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃষ্টিবিঘ্নিত দ্বিতীয় ও শেষ দিনে খেলা হয়েছে ৭২ ওভার। ব্যাট হাতে ইমরুল করেছেন ৫৯ রান। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৫৬ ও লিটন দাস ৪৪। তিনজনেরই সুযোগ ছিল বড় ইনিংস খেলার। তবে নিজেদের ভুলে কেউই সফল হননি।
.png)
রায়ান কুক একাদশের হয়ে তাসকিন ছাড়া খেলেছেন আরো তিন পেসার মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, আল আমিন হোসেন ও সৈয়দ খালেদ আহমেদ। তারাও খুব খারাপ করেননি। তবে এই তিন জনের কারো বোলিংয়েই যথেষ্ট ধার ছিল না। এছাড়া বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামও নিজের সেরা ছন্দ খুঁজে পাননি।
ইমরুল আউট হয়েছেন কিছুটা বিতর্কিত সিদ্ধান্তে। অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট বলে পুল করেছিলেন তিনি। টাইমিং ঠিকমতো করতে পারেননি, ফলে ব্যাটের নিচের দিকে লেগে বল যায় বোলারের দিকে। ফলো থ্রুতে সামনে ডাইভ দিয়ে অসাধারণ এক ক্যাচ নেন তাসকিন।
কিন্তু ইমরুল দাবি করেন তাসকিনের হাতে জমার আগে বল মাটি স্পর্শ করেছে। তবে দুই আম্পায়ার আলোচনা করে আউটের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন। সাইফ উদ্দিনের স্টাম্প বরাবর বল ফ্লিক করতে গিয়ে ফিরতি ক্যাচ দেন মাহমুদউল্লাহ। অন্যদিকে আল আমিনের বাউন্সার সোজা ফিল্ডারের হাতে তুলে দেন লিটন দাস।
এদিন বল হাতে আবারো চমক দেখিয়েছেন মোহাম্মদ মিঠুন। উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান হলেও তিনি আউট করেছেন নাঈম হাসান ও এবাদত হোসেনকে। অফ স্পিন বোলিংয়ে আগের ম্যাচেও দুই উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।
মাত্র দুইদিনের এ ম্যাচটি স্বাভাবিকভাবেই ড্র হয়েছে। কয়েকদিনের বিরতি শেষে শুরু হবে তিন দলের ওয়ানডে লিগ।