এদিন ১৮তম স্থানে থাকা বেনেভেন্টোর বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা নগর প্রতিপক্ষ এসি মিলানের সঙ্গে ১৩ পয়েন্টের ব্যবধান রচনা করেছে এন্টনিও কন্টের শিষ্যরা। হাতে রয়েছে আর মাত্র চারটি ম্যাচ।
আরো এক পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা তৃতীয় স্থানধারী আটালান্টা যদি রোববার সাসুলোকে হারাতে ব্যর্থ হয় তাহলেও ২০১০ সালের পর প্রথম স্কুডেত্তো নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে ইন্টার মিলান।
.png)
জুভেন্টাসের সাবেক কোচ কন্টে বলেন,দীর্ঘ ১১ বছর স্কুডেত্তো জয় করতে পারেনি ইন্টার মিলান। যে কারণে অন্যরকম কিছু একটা অর্জনের বিষয়ে আমরা তৈরি ছিলাম। কারণ আমরা একটি জেনারশনকে ভেঙ্গে দিচ্ছিলাম। ছেলেরা এই জয়েরর দাবীদার। তাদেরকে আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি। ইতিহাস রচনা থেকে এখন আমরা মাত্র একটি ধাপ দূরে।
৬৫ মিনিটে বদলী হিসেবে নামা এরিকসন চার মিনিট পরেই গোল করে এগিয়ে দেন ইন্টার মিলানকে। রোমেলু লুকাকুর যোগান থেকে তার নেয়া শটের বলটি স্বাগতিক ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো ম্যাগালানের গায়ে ছোয়া দিয়ে জালে আশ্রয় নেয়। ইনজুরি টাইমে (৯০+২ মি.) হাকিমি গোল করে ব্যবধান দ্বিগুন করার আগে লুকাকুর একটি গোল বাতিল করেন রেফারি।
খেলা শেষে এরিকসন বলেন, এটি খুবই গুরুত্বপুর্ন গোল। কারণ এর দ্বারা আমরা শিরোপার অনেক কাছে আসতে পেরেছি। তবে এখনো শিরোপা আমাদের হাতে আসেনি। আজ আমি বদলি হিসেবে এসেছি। আমি এমনটা করতে পেরে খুবই খুশি।
এদিকে এসি মিলানকে এগিয়ে দিতে মাঠে ফিরেছেন সুইডিশ সুপার স্টার জ্বলাটান ইব্রাহিমোভিচ। তালিকার শীর্ষস্থানীয় ক্লাবটি ২-০ গোলে হারিয়েছে বেনেভেন্টোকে। ম্যাচের ৬ মিনিটে গোল করে মিলানকে এগিয়ে দেন হাকান চালহানুগলো। ৬০ মিনিটে মিলানের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি আদায় করেন থিয়ো হার্নান্দেজ। ইনজুরি থেকে ফেরা ইব্রার শটের বল প্রতিহত হবার পর ফিরতি বল জালে জড়ান তিনি।
হেলাস ভেরোনা ও স্পেজিয়ার মধ্যকার বাকী লিগ ম্যাচটি ড্র হয়েছে ১-১ গোলে।