এই রায়ের মাধ্যমে ২০১৫ সাল থেকে চলা একটি বিতর্কের অবসান ঘটলো। বছর ছয়েক আগে বেনজেমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠার পর থেকেই জাতীয় দলে নির্বাসিত ছিলেন তিনি। যদিও চলতি বছর পুনরায় জাতীয় দলে ডাক পেয়ে খেলেছেন এই স্ট্রাইকার।
উল্লেখিত মামলায় মূল বিষয় ছিল একটি যৌনতাপূর্ণ ভিডিও। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ভালবুয়েনার মোবাইল থেকে মামলার অন্য আসামী অ্যাক্সেল অ্যাঙ্গট একটি যৌনতাপূর্ণ ভিডিও পায়। পরে এটি নিজেদের দখলে নেয়ার জন্য তারা চেষ্টা করেছিল।
.png)
পরবর্তীতে অ্যাঙ্গট এবং তৃতীয় আসামী মুস্তাফা জুয়াউই ভিডিওটি ব্যবহার করে ভালবুয়েনার কাছ থেকে অর্থ আদায় করার চেষ্টা করেন। সে সময় লিওন এবং ফ্রান্সের হয়ে খেলছিলেন তিনি। এরপর করিম বেনজেমার শৈশবের বন্ধু করিম জেনাতি এই ঘটনাটি বেনজেমাকে জানান।
এরপর ২০১৫ সালের অক্টোবরে জাতীয় দলের হয়ে অনুশীলনের সময় ভিডিওটি সম্পর্কে ভালবুয়েনার সঙ্গে কথা বলেন বেনজেমা। তখন ভালবুয়েনা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, যারা একটি স্টিং অপারেশন শুরু করে। তারই রায় এল আজ।
এদিকে সেক্স টেপ ব্ল্যাকমেইলের বিষয়ে বরাবরই নিজের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে এসেছেন বেনজেমা। এই ফরোয়ার্ড দাবি করেছিলেন, পরিস্থিতি সমাধানে ভালবুয়েনাকে সহায়তা করার চেষ্টা করেছেন তিনি।
মূলত ব্ল্যাকমেইলাররা যে গুরুতর অপরাধী সেটাই বোঝানোর চেষ্টা করে সতীর্থকে সাবধানে থাকতে সতর্ক করেছেন বলে জানিয়েছিলেন বেনজেমা। তবে পুলিশ, প্রসিকিউটর এবং আদালত বেনজেমার এই সহায়তার প্রস্তাবকেই ব্ল্যাকমেইল স্কিম প্ররোচনা হিসাবে ব্যাখ্যা করেছে।
এ কারণেই শাস্তির সম্মুখীন হলেন বেনজেমা। তবে তার জেলে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। এর বদলে বেনজেমাকে বড় অংকের আর্থিক জরিমানা দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক কাজে জড়িত থাকার মতো কিছু কাজে যুক্ত হতে হবে।
এদিকে এই রায়ের বিরুদ্ধে বেনজেমা আপিল করবেন বলে জানিয়েছে তার আইনজীবী।