জো রুটের ইংল্যান্ড এবার তাসমান সাগরপাড়ে পা রেখেছিল অ্যাশেজ জয়ের আশা নিয়ে। কিন্তু মাঠের যাচ্ছেতাই পারফরম্যান্সে সে আশা পূরণ হয়নি আদৌ। উল্টো প্রথম তিন ম্যাচই হেরে খুইয়েছে সিরিজও।
এর মাধ্যমে এক পঞ্জিকাবর্ষে সবচেয়ে বেশি টেস্ট ম্যাচ হারার রেকর্ডে বাংলাদেশের পাশে বসেছে ইংল্যান্ড। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ টেস্ট হেরেছিল ৯টি। অ্যাশেজে টানা তৃতীয় ম্যাচে হেরে সেই রেকর্ডেই ভাগ বসিয়েছে ইংলিশরা।
.png)
অ্যাশেজের আগে ছয়টি টেস্ট হার নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় পা রেখেছিল ইংল্যান্ড। সেখান থেকে অ্যাশেজে টানা তিন হার। তাতেই ৯টি টেস্ট হারের ‘কীর্তি’ গড়ে ফেলে ইংলিশরা। দলটি চলতি বছর সবচেয়ে বেশি টেস্ট হেরেছে ভারতের কাছে। তাদের এই নয় টেস্ট হারের মধ্যে পাঁচটিই এসেছে ভারতের বিপক্ষে।
ইংলিশদের বেশি হারের বিস্বাদ দেওয়া দলের তালিকায় দুইয়ে আছে অস্ট্রেলিয়ার নাম। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে তিনটি টেস্ট খেলে তিনটিতেই হেরেছে ইংলিশরা। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের আগে নিউজিল্যান্ডের কাছেও একটি ম্যাচে হেরেছে দলটি। তাতেই হারের সংখ্যাটা গিয়ে ঠেকেছে ৯-এ।
এক বছরে সর্বোচ্চ হারের সংখ্যা ৯টি, এই তালিকায় তাই এখন যৌথভাবে শীর্ষে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ড। তবে এক পঞ্জিকাবর্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আট হারের রেকর্ডেও সবচেয়ে বেশি নাম আছে ইংল্যান্ডের। তারা মোট চার বার বছরে আটটি টেস্ট হেরেছে।
এর আগে ১৯৮৪, ১৯৮৬, ১৯৯৩ এবং ২০১৬ সালে আটটি টেস্ট হারতে হয়েছে ইংল্যান্ডকে। এছাড়াও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০০৪, ২০০৫ ও ২০১৫ সালে এবং বাংলাদেশ ২০০২ ও ২০০৮ সালে আটটি টেস্ট হেরেছে।