নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের দলে নেই সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। আর গত বছর টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেন মাহমুদউল্লাহ। তাই এ টেস্টে দেশের পঞ্চপাণ্ডবদের ছাড়াই খেলতে নামলো বাংলাদেশ।
১৬ বছর পর দেখা গেল, বাংলাদেশের কোন টেস্ট ম্যাচে নেই পঞ্চপাণ্ডব সাকিব-তামিম-মাশরাফী-মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ। সর্বশেষ ২০০৬ সালে একটি টেস্টে বাংলাদেশ দলে ছিলেন না পঞ্চম পাণ্ডবের কেউ।
.png)
২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রামে শ্রীলংকার বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের একাদশে ছিলেন না দেশের পঞ্চপাণ্ডব। তবে বগুড়ায় সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে একাদশে ছিলেন মুশফিক।
২০০১ সালে মাশরাফী, ২০০৫ সালে মুশফিক, ২০০৭ সালে সাকিব, ২০০৮ সালে তামিম ও ২০০৯ সালে মাহমুদউল্লাহর টেস্ট অভিষেক হয়।
২০০৯ সালে কিংস্টনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাহমুদউল্লাহর অভিষেক ম্যাচে মাশরাফী-সাকিব-তামিম ও মুশফিক ছিলেন। ঐবারই প্রথম একাদশে পঞ্চপাণ্ডবদের একত্রে দেখা যায়।
এদিকে ক্রাইস্টচার্চে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনটা ভালো কাটেনি বাংলাদেশের। কিউই ব্যাটারদের তোপে ভুলে যাওয়ার মতো একটি দিন পার করেছে টাইগাররা। ক্রাইস্টচার্চে প্রথম দিন শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩৪৯ রান।
ক্রাইস্টাচার্চের সবুজ পিচ দেখে যে কেউই আগে বোলিং নিতে চাইবে। টস জিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হকও ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিতে দুই বার ভাবেননি। ইঞ্জুরির কারণে এ ম্যাচের একাদশে দুটি পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয় টাইগাররা।
হাতে চোট পাওয়ার কারণে আগেই ছিটকে গিয়েছিলেন মাহমুদুল হাসান জয়। তার জায়গায় দেশের শততম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক হয়েছে নাঈম শেখের। এছাড়া গ্রোয়েন ইঞ্জুরির কারণে শেষ মুহূর্তে নাম প্রত্যাহার করে নেন মুশফিকুর রহিম। তার জায়গায় একাদশে জায়গা পেয়েছেন নুরুল হাসান সোহান।
সকালে টস জয় ছাড়া আর কোনো সাফল্য ছিল না বাংলাদেশের। শুরু থেকেই ব্যাট হাতে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা। উদ্বোধনী জুটিতে উইল ইয়ং ও টম ল্যাথাম যোগ করেন ১৪৮ রান। ব্যক্তিগত ৫৪ রানে শরিফুল ইসলামের বলে আউট হন ইয়ং।
তবে এরপর সারা দিনে টাইগার বোলারদের আর কোনো সুযোগ দেননি ডেভন কনওয়ে ও ল্যাথাম। কিউই অধিনায়ক দারুণ সব শটে তুলে নিয়েছেন সেঞ্চুরি। তিনি আছেন ডাবল সেঞ্চুরির পথে। দিন শেষে ১৮৬ রানে অপরাজিত আছেন এই ব্যাটার।
অন্যদিকে দিনের শেষ ওভারে সেঞ্চুরির সুযোগ পেলেও পূরণ করতে পারেননি কনওয়ে। তিনি ৯৯ রানে অপরাজিত আছেন। টেস্ট ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে নিজের প্রথম পাঁচ ম্যাচের সবগুলোতেই পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি।