করোনা, ইনজুরি ও আফ্রিকান নেশন্স কাপের কারণে খেলোয়াড় স্বল্পতা দেখা দেয়ায় লেস্টারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ম্যাচটি স্থগিত করা হয়। এ নিয়ে এবারের মৌসুমের ১৯তম প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচ স্থগিত ঘোষণা করা হলো।
লিগ কাপের সেমিফাইনালে টটেনহ্যাম হটস্পারের বিপক্ষে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচের আগে এক সংবাদ সম্মেলনে টুখেল এ সম্পর্কে বলেছেন, আফ্রিকান নেশন্স কাপের কারণে একটি ম্যাচ স্থগিত করার বিষয়টি সত্যিই বিস্ময়কর।
.png)
তিনি আরো বলেন, এই আইনটির ব্যাপারে আমি পুরোপুরি অবগত নই, এটা স্বীকার করছি। এ ব্যপারে আরো বেশী স্বচ্ছতা আশা করছি। এটা সকলকেই সহযোগিতা করবে। সবাই বুঝতে পারবে আসলে কি কারণে ম্যাচগুলো একের পর এক স্থগিত হয়ে যাচ্ছে। এতে করে মূলত পুরো লিগ ও ক্লাবগুলোর উপর চাপ বাড়ছে।
গত সপ্তাহে করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় আর্সেনালের বিপক্ষে লিভারপুলের সেমিফাইনালের প্রথম লেগের ম্যাচটি স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। লিভারপুল বস ইয়ুর্গেন ক্লপ বলেছিলেন তার দলে বেশ কিছু খেলোয়াড়ের মধ্যে উপসর্গ রয়েছে। ঐ সময় লিভারপুলের বেশ কিছু খেলোয়াড়ের ফলস রেজাল্ট এসেছিল। কিন্তু করোনা পরীক্ষায় শুধুমাত্র ট্রেন্ট আলেক্সান্দার-আর্নল্ড পজিটিভ হয়েছিলেন।
টুখেল বলেন, আমি তাকে বিশ্বাস করেছিলাম এবং সবাই কিন্তু বাইরে থেকে এটাই দেখছে। আমার মনে হয় সব ক্লাবেই এমন ঘটনা ঘটছে। উল্ফসে আমাদের একটি ফলস রেজাল্ট এসেছিল, যে কারণে আমরা জর্জিনহোকে সরাসরি বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিলাম।
গত ১৯ ডিসেম্বর সাতজন পজিটিভ আসার পর উল্ফসের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচটি স্থগিতের আবেদন জানিয়েছিল চেলসি। কিন্তু তাতে কোন সাড়া দেয়নি লিগ কর্তৃপক্ষ। টুখেল বলেন, আমরা যখন উলভারহ্যাম্পটনে পৌঁছাই তখন দলে সাতজন খেলোয়াড় করোনা পজিটিভ হয়েছিলেন।
তিনি আরো বলেন, আমরা মনে করেছিলাম এই পরিস্থিতিতে ম্যাচটি হয়ত স্থগিত হয়ে যাবে। কিন্তু সেটা হয়নি। আমি অন্য ক্লাবের পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। আমরা ম্যাচটিতে গোলশুন্য ড্র করেছি। এখনো আমরা সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনি।
গত সপ্তাহে কোভিড পজিটিভ হবার কারণে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়া থিয়াগো সিলভা ও এন’গোলো কান্তে সেমিফাইনালে প্রথম লেগে খেলতে পারেনি। প্রথম লেগে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে চেলসি ২-০ গোলে জয়ী হয়েছিল।