১৯৫৭ সালে শুরু হওয়া আফ্রিকান নেশন্স কাপে এ পর্যন্ত ৫৫টি সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম সেমিতে মিশর ২-১ গোলে সুদানের বিপক্ষে জয়লাভ করেছিল। টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালের পাঁচটি উল্লেখযোগ্য বিষয় তুলে ধরেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
১. ২২ বছর আগে ল্যাগোসে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে দক্ষিন আফ্রিকার বিপক্ষে মাত্র এক মিনিটের মধ্যে গোল করে সেমিতে দ্রুততম গোলদাতার আসন লাভ করেন নাইজেরিয়ার উইঙ্গার তিজানি বাবাঙ্গিদা। ২-০ গোলে জয়লাভ করা ম্যাচে সহ আয়োজক নাইজেরিয়ার হয়ে বাকী গোলটিও করেছিলেন তৎকালীন আয়াক্স আমস্টার্ডামের ওই ফুটবল তারকা।
.png)
২. ১৯৯৮ সালে ওয়াগাডুগুতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ের ২২তম মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে জয়সুচক গোল করেছিলেন আয়াক্সের আরেক তারকা ফরোয়ার্ড বেনি ম্যাককার্থি। ওই ফুটবল তারকা বর্তমানে ২০২১-২২ মৌসুমে সিএএফ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা প্রত্যাশী আমাজুলু’র কোচের দায়িত্বে রয়েছেন।
৩. ৬৫ বছর আগে খার্তুমে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মিশরের হয়ে প্রথম গোল করে সুদানের বিপক্ষে ফারাওদের এগিয়ে দিয়েছিলেন রাফাত আতিয়া। পরে তার ক্লাব জামালেক হয়ে উঠে আফ্রিকান জায়ান্ট ক্লাব। কায়রোর শহরতলীর নামে ক্লাবটির নামকরণ করা হয়েছে। পরে তিনি সৌদি আরবের কোচের দায়িত্ব গ্রহন করেন।
৪. ১৯৭৪ সালে কায়রোয় অনুষ্ঠিত ম্যাচে কঙ্গো ব্রাজাভিলের বিপক্ষে একমাত্র হ্যাটট্রিকটি করেছেন জাম্বিয়ার বুলেট শ্যুটার বার্নার্ড ‘বোম্বার’ চান্দা। অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো ম্যাচে ৪-২ গোলে জয়লাভ করে জাম্বিয়া। পরে রাস্ট্রপতি কেনেথ কাউন্ডার সম্মানে কেকে একাদশ নামে পরিচিতি পায় দলটি।
৫. এ পর্যন্ত ৫৫টি সেমি ফাইনালে গোল হয়েছে ১৬১টি। ম্যাচ প্রতি গড় গোল ২.৯। প্রতি ১২ ম্যাচে সাধারণ স্কোর হচ্ছে ১-০ ও ২-১। সেখানে দুইবার ৭টি গোল হয়েছে। আর সর্বাধিক তিনবার ৪-০ গোলে জয় নিশ্চিত হয়েছে।