বেটউইনার নিউজের সঙ্গে চুক্তিটি একটি স্পোর্টস নিউজ পোর্টালের হলেও এর সম্পৃক্ততা রয়েছে স্পোর্টস বেটিং কম্পানি বেটউইনারের সঙ্গে। এখানেই বিসিবির আপত্তি। বাংলাদেশের আইনে জুয়া নিষিদ্ধ। তাই এ জাতীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে, এমন কিছুর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়াকে নীতিবিরুদ্ধ মনে করছে বিসিবি।
নীতিগত এই অবস্থানের কথা শুরু থেকে জানিয়ে আসছেন বিসিবির সভাপতি থেকে শুরু করে ঊর্ধ্বতনরা। গতকাল ছিল চুক্তি বাতিলের বিষয়ে সাকিবের সিদ্ধান্ত জানানোর শেষ দিন। তিনি সেটি জানিয়েছেন। তবে সেই সিদ্ধান্ত বিসিবির প্রত্যাশার সঙ্গে মেলেনি। যত দূর জানা গেছে, বেটউইনার নিউজের সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি অব্যাহত রাখার পক্ষে নানা যুক্তি দিয়েছেন সাকিব। বলার অপেক্ষা রাখে না, সেসবে অবস্থান বদলায়নি বিসিবি।
.png)
গতকাল বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, আপনারা এ পর্যন্ত যেটুকু জেনেছেন, বিষয়টি সেখানেই আছে। সিদ্ধান্ত হলেই জানতে পারবেন।
জানা গেছে, আইসিসি এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্পোর্টস বেটিং হাউসের ক্রিকেট সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে নিজের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন সাকিব। ভারতে ওয়ানএক্সবেট নামের একই ধরনের একটি প্রতিষ্ঠানে ক্রিকেটারদের বিজ্ঞাপন করতেও দেখা যাচ্ছে। তাহলে কেন বাধা দিচ্ছে বিসিবি?
অবশ্য এসব যুক্তি ধোপে টেকেনি বিসিবির কাছে। কারণ ওসব দেশে স্পোর্টস বেটিং বৈধ। বাংলাদেশে অনুমোদন নেই। যে সংস্থার সঙ্গে সাকিবের সব শেষ বিজ্ঞাপনী চুক্তি হয়েছে, সেটির ওয়েবসাইট বাংলাদেশে ব্লক করা আছে। ভারতীয় যে দুজন ক্রিকেটারের উদাহরণ টানা হয়েছে, তারা সাবেক।
বিসিবি আরো বিব্রত বিনা অনুমতিতে সাকিবের এমন একটি চুক্তি সম্পাদনে। বোর্ডের সঙ্গে চুক্তির শর্ত মেনে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। আজকে এশিয়া কাপের বাংলাদেশ দল ঘোষণা করার কথা। তবে আসেনি সাকিবের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত। দেখার অপেক্ষা সাকিবকে ছাড়াই নিজেদের পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে কিনা।