‘তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের’ কারণে ভারতীয় ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে নির্বাসিত করেছে ফিফা। ভারত সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) অন্যতম সদস্য। ফিফার এই নিষেধাজ্ঞার ফলে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে বিষয়টি এখন হট টকে পরিণত হয়েছে। আসন্ন নারী সাফ ফুটবলে ভারতের অংশ নেয়া নিয়েও দেখা দিয়েছে শংকা।
সপ্তাহ দুয়েক আগে ভারতে অনুষ্ঠিত সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল শেষ হলো। আগামী সেপ্টেম্বরে সাফের আরো দুটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের কথা রয়েছে।
.png)
এর প্রভাব কিছুটা হলেও পড়বে দক্ষীণ এশিয় ফুটবলে। তবে সাফের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক হেলাল মনে করেন, এতে সাফে কোন প্রভাব পড়বে না।
আনোয়ারুল হক হেলাল বলেন, আসলে এ বিষয়ে সাফের কিছুই করার নেই। ফিফা যেভাবে বলবে আমরা সে ভাবেই চলব। এর বাইরে তো আমাদের নিজস্ব কোন মতামত নেই।
আগামী সেপ্টেম্বরে নেপালেও শ্রীলংকায় দুইটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে যাচ্ছে সাফ। নেপালে নারী সাফ ও শ্রীলংকায় অনূর্ধ্ব সাফ এই টুর্নামেন্টে ভারতের অংশগ্রহণ করার কথা। ফিফার নিষেধাজ্ঞা বিদ্যমান থাকলে ভারতের অংশগ্রহণ সম্ভব হবে না।
এ বিষয়ে হেলাল বলেন, আগামীকাল আমাদের ভার্চুয়াল ইসি সভা রয়েছে। সেখানে এই বিষয়টি অবশ্যই আলোচনা হবে। তবে ভারত নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আসতে পারলে খেলবে, না হলে না।
তিনি আরো যোগ করেন, ‘খুব শীঘ্রই ফিফার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে ভারতকে ছাড়াই আসন্ন দুই টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে সাফ। শুধু ভারতই নয় অন্য যে কোন দল হলে এমনই হবে। সে কোন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। তাদের ছাড়াই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে।’
আগামীকাল আদালতে একটি শুনানি রয়েছে। সেই শুনানির পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ফিফার সঙ্গে আলোচনা করবে।
এর আগে দক্ষিণ এশিয়ার আরেক দেশ পাকিস্তান ফিফার এমন নিষেধাজ্ঞায় ছিল। দেশটি নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে এই সেপ্টেম্বরে সাফ নারী ফুটবলের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিরার কথা রয়েছে।।