জানা যায়, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইমরান এর আগে ফেডারেশনের সভাপতির ব্যক্তিগত সহকারী ও প্রটোকল ম্যানেজার হিসাবে কাজ করেছেন। এবার থেকে দেশের ফুটবলের নির্বাহী পদের দায়িত্বও সামলাবেন তিনি। ২০১৭ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি বাফুফের প্রটোকল ম্যানেজার হিসাবে নিয়োগ পান ইমরান। এরপর তিনি এএফসি থেকে এক বছর মেয়াদি ফুটবল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (এফএসি) উপর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাকেটিং বিষয়ে অর্নাস শেষ করে বাফুতে আসেন তিনি।
.png)
এদিকে সোহাগ নিষিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই দৌড়ঝাপ শুরু হয়েছিল। অনেকেই নিজে থেকে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তালিকায় ছিলেন একাধিক কর্মকর্তা। ইমরানের সঙ্গে এ দৌড়ে রয়েছেন কম্পিটিশন ম্যানেজার জাবের বিন তাহের আনসারী, হেড অফ ফিন্যান্স আবু হোসেন ও গ্রাসরুট ম্যানেজার হাসান মাহমুদ। তবে শেষ পর্যন্ত সোহাগের মতোই আস্থাভাজন একজনকে বেছে নিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।
বাফুফে জানিয়েছে তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যেই স্থায়ী সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দেওয়া হবে। ইমরানকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আপদকালীন সময়ের জন্য। গুঞ্জন রয়েছে তাকেই স্থায়ীভাবে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হতে পারে।