ভাবছেন, পুলিশ কী করেছে? মূলত এই ঘটনাকে জনসচেতনতার প্রচারের কাজে ব্যবহার করেছে কলকাতা পুলিশ। ঘটনার পরই কলকাতা পুলিশের তরফে একটি মিম শেয়ার করা হয়েছে। যেখানে দেখা গেছে মানি হেইস্টের ‘প্রফেসর’, বিরাট কোহলি ও গৌতম গম্ভীরকে। প্রফেসরের কানে ইয়ারফোন দেয়া একটি ছবি।
যেন তিনি ফোনে কিছু জানতে চাইছেন। পাশে লেখা, ‘আপনার ফোনে যে ওটিপি গিয়েছে, সেটি বলুন।’ আর অন্য দিকে বিরাট ও গম্ভীরের মুখে আঙুল দিয়ে চুপ করানোর সেই বিতর্কিত ভঙ্গির ছবি। যাতে প্রতারকরা ওটিপি নম্বর চাইলে এভাবেই মুখে আঙুল দিয়ে চুপ থাকেন আমজনতা সেই বার্তাই দেওয়ার চেষ্টা পুলিশের।
.png)
কলকাতা পুলিশের ফেসবুক পেইজ থেকে মাঝেমাঝেই এ ধরনের সতর্কতামূলক পোস্ট করা হয়ে থাকে মজার ছলে। এ ধরনের পোস্টগুলির মাধ্যমে এক দিকে যেমন মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা অনেক সহজ হয়, তেমনই মানুষকে খুব সহজেই সতর্ক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির অগ্রগতি যত হয়েছে, তত পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অনলাইন প্রতারণার কারবার। সাম্প্রতিক অতীতে প্রতারকদের পাল্লায় পড়ে নিজের ওটিপি শেয়ার করে লাখ লাখ টাকা খুইয়েছেন অনেকেই। আর এই মিমটি ব্যবহার করেই অনলাইন প্রতারণার কারবার নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে চাইছে কলকাতা পুলিশ।
এর আগে ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত ভারত-বাংলাদেশে প্রথম দিন-রাতের টেস্টকেও হাতিয়ার করেছিল কলকাতা পুলিশ। ভারতীয় পেশার ইশান্ত শর্মার বাউন্সার বল বাংলাদেশি ব্যাটার মোহাম্মদ মিঠুনের হেলমেটে লাগার লাগার মুহূর্তের ছবিটি পোস্ট করে ‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইভ’-এর প্রচারে করে কলকাতা পুলিশ।
সে সময় ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল “রাখে হেলমেট, মারে কে!” এছাড়া বুমরাহর নো বলে ফখর জামানকে আউট করে সেলিব্রেশন নিয়েও ট্রাফিক সাবধানতার প্রচার করেছিল কলকাতা পুলিশ।