সোমবার (২৪ জুলাই) স্পেনে ফ্রান্সিসের মৃত্যুর কথা বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে তার পরিবার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।
এক বিবৃতিতে ফ্রান্সিসের মৃত্যুর খবর জানিয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘এটা আমাদের জন্য বিশাল এক ধাক্কা, আমরা খুবই মর্মাহত। তিনি শুধু কিংবদন্তি ফুটবলারই ছিলেন না, একজন অসাধারণ মানুষও ছিলেন।’
.png)
ফ্রান্সিস খেলোয়াড়ী জীবন শুরু করেন বার্মিংহ্যাম সিটিতে। ক্লাবটির সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে তার অভিষেক হয় ১৬ বছর বয়সে, ১৯৭০ সালে। রেকর্ডটি টিকে ছিল লম্বা সময়, ২০১৯ সালের আগস্টে যা ভেঙে দেন কদিন আগে রিয়াল মাদ্রিদে নাম লেখানো জুড বেলিংহ্যাম। বার্মিংহ্যামের হয়ে লিগে ২৮০ ম্যাচে ফ্রান্সিস গোল করেন ১১৯টি।
সেখান থেকেই ১৯৭৯ সালে নটিংহাম ফরেস্টে রেকর্ড ট্রান্সফার ফি নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন ফ্রান্সিস, হয়ে যান ব্রিটেনের প্রথম ১ মিলিয়ন বা ১০ লাখ পাউন্ডের ফুটবলার। এরপর ফরেস্টের হয়ে টানা দুই মৌসুমে তিনি জেতেন ইউরোপিয়ান কাপ (বর্তমানে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ)। ১৯৭৯ সালের ফাইনালে সুইডিশ ক্লাব মালমোর বিপক্ষে দলের একমাত্র গোলটি করেন তিনিই।
নটিংহাম পর্ব শেষ করে ১৯৮১ সালে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেন ফ্রান্সিস, পরে খেলেন ইতালির সাম্পদোরিয়া ও আতালান্তার হয়েও। ৪০তম জন্মদিনের আগে ১৯৯৪ সালে খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানেন ফ্রান্সিস। অবসরের পর কোচিং করিয়েছেন কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্স, বার্মিংহাম সিটি, শেফিল্ড ওয়েনসডে ও ক্রিস্টাল প্যালেসে।
জাতীয় দল ইংল্যান্ডের হয়ে ৯ বছরের ক্যারিয়ারে ৫২ ম্যাচে ১২টি গোল ফ্রান্সিসের। খেলেছেন স্পেনে ১৯৮২ সালে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফুটবলে। কাজ করেছেন স্কাই স্পোর্টস ও বিটি স্পোর্টসের ফুটবল বিশ্লেষক হিসেবেও। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন বার্হিংহ্যামের। তার হাত ধরে ২০০১ সালে লিগ কাপের ফাইনালে উঠে লিভারপুলের কাছে টাইব্রেকারে হেরে যায় দলটি।
সূত্র: বিবিসি