ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে টাইগার ক্রিকেট

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০:১৩, ১৭ আগস্ট ২০২৩
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে টাইগার ক্রিকেট
ছবি- সংগৃহীত

ক’দিন পরেই মাঠে গড়াবে এশিয়া কাপ। আর আগামী অক্টোবরে ভারতে অনুষ্ঠিত হবে আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ক্রিকেটের বৈশ্বিক এ দুই টুর্নামেন্টকে ঘিরে হাড়ভাঙা অনুশীলন করছেন টাইগাররা ক্রিকেটাররা। এ সময় ক্রিকেটারদের ওয়ার্ক লোড ম্যানেজমেন্ট পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদারকি করতে অনুশীলনে ব্যবহৃত হচ্ছে জিপিএস প্রযুক্তি।

জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে খেলোয়াড়দের ওয়ার্কলোড নেয়ার ক্ষমতা এবং তাদের ফিটনেস সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য স্বয়ংক্রিয় উপায়ে পেয়ে যান ট্রেইনাররা। এতে নির্ভুলভাবে খেলোয়াড়দের পর্যবেক্ষণ করতে পারছে কোচিং স্টাফরা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও শেয়ার করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যেখানে জিপিএস সিস্টেম নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে জাতীয় দলের ট্রেইনার নিক লিকে।

Advertisement

তিনি বলেন, ‘আমরা ক্যাটাপল্ট জিপিএস সিষ্টেম লাগিয়েছি। আমাদের জন্য এর প্রধান সুবিধা হচ্ছে, খেলোয়াড়রা আসলে কি করছে এখন আমরা সেই তথ্য পেয়ে যাচ্ছি। যেহেতু আমাদের খুব অভিজ্ঞ কোচদের গ্রুপ আছে (এটি তাদের জন্য সুবিধার)।’

নিক লি আরো বলেন, ‘আগেও লম্বা সময় ধরেই রানিং করত সবাই, কিন্তু তথ্যের দিক থেকে আমরা কিছুটা অন্ধকারে থাকতাম। এখন খেলোয়াড়রা কী করছে, কতটা দূরত্ব দৌড়াচ্ছে, কতটা গতি ও তীব্রতা নিয়ে দৌড়াচ্ছে এসব বুঝতে পারি। আমাদের কাছে হার্টরেট আসে। এতে করে নির্দিষ্ট দিনে একজন খেলোয়াড় কতটা ভার বহন করল তা বোঝা যায়।’

বোলিংয়ে কৌশলগত বদল আনার ক্ষেত্রেও জিপিএস কোচদের জন্য সহায়ক বলে মনে করেন নিক লি। 

তার কথায়, ‘ক্যাটাপল্ট সিষ্টেমের আরেকটি সুবিধা হলো পেস বোলিং অ্যালগরিদম। যখন একজন বোলার বল করে এটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়; যেমন রানআপ দূরত্ব, রানআপের গতি, ক্রিজের লোড। কোচরা বুঝতে পারে কী ঘটছে। এরপরে তারা যদি মনে করে কোন বদল আনা দরকার, তারা সেটা করতে পারে। মূলত আমরা কি করছি তার সম্পর্কে একটা পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।’

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআইএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!