সেই গুঞ্জন উড়িয়ে মানচিনি বলেছিলেন, ‘আমি ফুটবল ম্যানেজার, বসে থাকব না। তবে সৌদি আরবের বিষয়টি ইতালি ছাড়ার কারণ নয়।’
এমন বক্তব্যের দুই সপ্তাহ অতিক্রম না হতেই সৌদি আরবের দায়িত্ব নিয়েছেন ইতালির কিংবদন্তি মানচিনি। আগামী ২০২৭ সাল পর্যন্ত সৌদির ডাগআউটে থাকবেন ৫৮ বছর বয়সী এ কোচ।
.png)
ইতালিয়ান গণমাধ্যমের দাবি, ‘চার বছরের চুক্তিতে সৌদি জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হয়েছেন মানচিনি। এজন্য বছরে ২৫ মিলিয়ন ইউরো বেতন পাবেন তিনি।’
সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে সৌদি ফুটবল ফেডারেশন। সেই ভিডিওতে মানচিনি বলেন, ‘আমি ইউরোপে ইতিহাস গড়েছি, এখন সৌদির হয়ে ইতিহাস গড়ার পালা। সৌদি আরবের কোচ পদে প্রস্তাব পেয়ে আমি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি।’
মানচিনি আরো বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি নতুন একটি দেশে ফুটবলের অভিজ্ঞতা নেয়ার দারুণ একটি সুযোগ এটি, বিশেষ করে এশিয়ার মতো মহাদেশে যেখানে ফুটবলের জনপ্রিয়তা ক্রমবর্ধমান। সৌদি প্রো লিগে শীর্ষ খেলোয়াড়দের উপস্থিতি জাতীয় দলের উন্নতির সম্ভাবনাকে ইঙ্গিত করে।’
এর আগে ২০১৮ সালে ইতালির কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন মানচিনি। দুই বছর পর তার অধীনেই ইউরো চ্যাম্পিয়ন হয় আজ্জুরিরা। টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত থেকে বিশ্বরেকর্ডও গড়ে। কিন্তু তারপরও খেলতে পারেনি ২০২২ বিশ্বকাপে।
সৌদি আরবের ডাগআউটে মানচিনির অভিষেক হবে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর কোস্টারিকার বিপক্ষে। চার দিন পর দক্ষিণ কোরিয়ার মুখোমুখি হবে তার শিষ্যরা। দুটো ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সৌদির মালিকানাধীন ইংলিশ ক্লাব নিউক্যাসলের সেন্ট জেমস পার্কে।