লাহোরে এশিয়া কাপের সুপার ফোর পর্বের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হারায় টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে বাংলাদেশের সামনে জয়ের বিকল্প নেই। লংকানদের কাছে হেরে গেলে এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলার আশা একরকম শেষ হয়ে যাবে টাইগারদের।
পাল্লেকেলেতে গ্রুপ পর্বে শ্রীলংকার কাছে ৫ উইকেটে হেরে এশিয়া কাপ শুরু করেছিলো বাংলাদেশ। যে কারণে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টাইগারদের ম্যাচটি বাঁচা-মরার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছিল।
.png)
সে ম্যাচে আফগানদের ৮৯ রানে হারিয়ে দারুণভাবে ঘুড়ে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। ম্যাচটিতে ১০৪ রানের ইনিংস খেলা ইনফর্ম ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়েছেন। তার অনুপস্থিতিতে এরই মধ্যে দল বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছে।
শান্তর জায়গায় সুযোগ পেলেও নিজের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে পারেননি গেল কয়েক বছরে টাইগার দলের অন্যতম সেরা ব্যাটার লিটন। সাম্প্রতিক সময়ে তার অধারাবাহিকতা দলকে চিন্তায় ফেলেছে।
নিদাহাস ট্রফির ঘটনায় গত পাঁচ বছর ধরে বাংলাদেশ-শ্রীলংকা ম্যাচে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সেই উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত এখনো দু’দেশের ক্রিকেটারদের স্মরণে আছে। কিন্তু প্রথম ম্যাচে দু’দলের মধ্যে সেই ম্যাচের কোন ছাপ দেখা যায়নি।
এশিয়া কাপের মঞ্চে ১৬বার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও শ্রীলংকা। এরমধ্যে লংকানদের জয় ১৩টিতে। সব মিলিয়ে, সর্বমোট ৫২বার ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে দু’দল। এক্ষেত্রে শ্রীলংকা ৪১বার এবং বাংলাদেশ ৯টি ম্যাচে জিতেছে। বাকী ২টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়।
পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের পর সাকিব বলেন, ‘আমাদের বোলিং বিভাগ ভালো করছে। এই মুহূর্তে ব্যাটিং ভালো ও খারাপ মিলিয়ে হচ্ছে। আমাদের ধারাবাহিক হতে হবে এবং আমরা সেটাই করার চেষ্টা করবো।’
তিনি আরো বলেন, ‘এ ম্যাচকে গুরুত্ব সহকারে নিতে হবে এবং সামনে এগিয়ে যেতে হবে। কারণ শ্রীলংকার বিপক্ষে আমাদের আরো একটি ম্যাচে আছে। আমি আশা করি, আমরা ঘুড়ে দাঁড়িয়ে জয়ের ধারায় ফিরতে পারবো।’
বাংলাদেশ দল: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ, মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ, মাহেদী হাসান, নাঈম শেখ, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, তানজিদ হাসান তামিম, তানজিম হাসান সাকিব ও এনামুল হক বিজয়।
শ্রীলংকা দল: দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), পাথুম নিশাঙ্কা, দিমুথ করুণারত্নে, কুশল পেরেরা, কুশল মেন্ডিস, ধনঞ্জয় ডি সিলভা, চারিথ আসালঙ্কা, সাদিরা সামারাবিক্রমা, দুনিথ ওয়েলালাগে, মহেশ থিকশানা, মাথিশা পাথিরানা, কাসুন রাজিথা, দুশান হেমন্থা, বিনুরা ফার্নান্দো ও প্রমোদ মাদুশান।