কায়েসের ব্যাটে লড়ছে কুমিল্লা
দশম বিপিএলে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে কুমিল্লার বিপক্ষে লড়ছে ফরচুন বরিশাল। যেখানে রান তাড়া করতে নামা কুমিল্লাকে ব্যাট হাতে এগিয়ে নিচ্ছেন ইমরুল কায়েস।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কুমিল্লার সংগ্রহ ১৫ ওভারে চার উইকেটে ১০৭ রান।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬১ রান সংগ্রহ করে বরিশাল। এতে কুমিল্লার সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ১৬২ রান।
.png)
কুমিল্লার হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও লিটন দাস। তাদের দুজনের ব্যাটে ভালো শুরু পায় কুমিল্লা। আসরের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই ঝোড়ো শুরু করেন রিজওয়ান। তবে তাকে ১৮ রানে থামিয়েছেন দিনুথ ওয়েল্লালাগে।
এরপর ক্রিজে এসেই উইকেট বিলিয়ে দেন তাওহীদ হৃদয়। ওয়েল্লালাগের ওপের চড়াও হতে গিয়ে শূণ্য রানে ফেরেন তিনি। ধীরে ধীরে এগোতে থাকা লিটনও বেশিদূর এগোতে পারেনি। খালেদের বলে কাটা পড়ার আগে ১৩ করেন কুমিল্লার অধিনায়ক।
এখন জাকের আলীকে নিয়ে দলীয় ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছেন কায়েস। জাকের ২ ও কায়েস ৪৫ রানে ব্যাটিং করছেন।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে বরিশাল। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন তামিম ইকবাল ও মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই এ জুটিতে আঘাত হানেন তানভীর ইসলাম। প্রথম ওভারের শেষ বলে মেহেদীকে জাকেরের তালুবন্দী করেন বাঁ-হাতি এ স্পিনার।
এরপর উইকেটে আসেন প্রীতম কুমার। ব্যাট হাতে ভরসা দেখালেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। রস্টন চেজের ঘূর্ণিতে কাটা পড়েন এ ডানহাতি ব্যাটার। আউট হওয়ার ৮ রান করেন।
পরে ক্রিজে আসেন সৌম্য সরকার। তার সঙ্গে জুটি গড়ে তোলার চেষ্টা করেন বরিশাল অধিনায়ক তামিম। কিন্তু মারমুখী হতে গিয়ে বিপাকে পড়েন তিনি। রস্টন চেজের বলে তানভীরের তালুবন্দী হয়ে সাজঘরে ফেরেন তামিম (১৯)।
নিয়তিম বিরতিতে তিন উইকেট হারিয়ে খানিকটা চাপে পড়ে বরিশাল। তবে সেই চাপ সামলে মুশফিকের সঙ্গে দুর্দান্ত জুটি গড়েন সৌম্য। এ দুজনের ব্যাট থেকে আসে ৬৬ রান।
ফিফটির পথে থাকা সৌম্যকে ৪২ রানে থামান মুস্তাফিজুর রহমান। ম্যাচের ১৪তম ওভারের প্রথম বলে সৌম্যকে বোল্ড করেন ফিজ। এরপর উইকেটে এসেই সাজঘরের পথ ধরেন শোয়েব মালিক (৭), মাহমুদউল্লাহ (৪) ও দুনিথ ওয়েল্লালাগে (৪)।
অন্যপ্রান্তে ব্যাট হাতে লড়াই চালিয়ে দুর্দান্ত ফিফটি তুলে নেন মুশফিক। তার ৬২ রানে ভর করেই ১৬১ রানের পুঁজি সংগ্রহ করে বরিশাল। এদিন কুমিল্লার হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট শিকার করেন মুস্তাফিজুর রহমান। এছাড়াও দুটি করে উইকেট নেন রস্টন চেজ ও ম্যাথিউ ফোর্ড।