মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪০ রান সংগ্রহ করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙর করেছে বরিশাল।
এই জয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে থেকে গ্রুপ পর্বের খেলা শেষ করলো বরিশাল। সমান পয়েন্ট নিয়ে চারে আছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। রান রেটে পিছিয়ে থাকার কারণে চারে নেমে গেছে শুভাগত হোমের দল।
.png)
বরিশালের জয়ে কপাল পুড়েছে খুলনা টাইগার্সের। এতে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সিলেটের বিপক্ষে খুলনার ম্যাচটি আনুষ্ঠানিকতায় রূপ নিলো।
রান তাড়ায় শুরুতেই হোঁচট খায় বরিশাল। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন তামিম ইকবাল ও আহমেদ শেহজাদ। তবে ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই এ জুটিতে আঘাত হানেন এনামুল।
ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে এনামুলের ঘূর্ণিতে শেহজাদকে স্ট্যাম্পিং করেন মাহিদুল। পরে ক্রিজে আসেন কাইল মেয়ার্স। উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি এ ক্যারিবীয় ব্যাটার। মুশফিকের পেসে পরাস্ত হয়ে ২৫ করে ফেরেন মেয়ার্স।
এরপর উইকেটে এসে তামিমকে যোগ্য সঙ্গ দেন মুশফিক। এ জুটিতে ধীরে ধীরে জয়ের পথে এগোতে থাকে বরিশাল। ব্যাট হাতে অর্ধ শতক হাঁকিয়েছেন তামিম। আউট হওয়ার আগে ৪৮ বলে ৬৬ করেন তিনি।
শেষ মুহূর্তে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন মাহমুদউল্লাহ। কুমিল্লার হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট শিকার করেন মুশফিক।
এর আগে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বরিশাল দলপতি তামিম ইকবাল। ফল আগে ব্যাট করে কুমিল্লা। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন লিটন দাস ও সুনীল নারিন। শুরুতে রয়েসয়ে খেললেও দ্রুতই ভয়ানক হয়ে ওঠেন নারিন।
ম্যাচের চতুর্থ ওভারের শেষ বলে ম্যাককয়ের স্লোয়ারে সৌম্যের তালুবন্দী হন নারিন। এতে আউট হওয়ার আগে ১৬ করেন এ ক্যারিবীয় ব্যাটার।
পরে ক্রিজে আসেন তাওহীদ হৃদয়। তাকে সঙ্গ দেওয়ার আগেই উইকেট বিলিয়ে দেন লিটন। সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলেই তাইজুলের ঘূর্ণিতে বোল্ড হন তিনি।
ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন মাহিদুল ইসলামও। ছয় বল খেলে মাত্র ১ রানেই সাজঘরে ফেরেন। দলীয় ফিফটি পূরণের আগেই তিন টপ অর্ডারকে হারিয়ে কিছুটা পিছিয়ে পড়ে কুমিল্লা।
তবে সেই চাপ সামলে মঈন আলীর সঙ্গে জুটি গড়েন হৃদয়। তাদের দুজনের ব্যাট থেকে আসে ৩৬ রান। তবে হৃদয়ের (২৫) বিদায়ে ভেঙে যায় তাদের জুটি। এরপর ফেরেন মঈনও (১৪)। তাকে সাজঘরে ফেরান আকিফ জাভেদ।
আহামরি কিছু করতে পারেননি রাসেলও (১৪)। তবে ব্যাট হাতে শেষ পর্যন্ত লড়াই করে দলকে লড়াকু পুঁজে এনে দিয়েছেন জাকের আলী। তার ৩২ রানে ভর করেই ১৪০ রান সংগ্রহ করেছে কুমিল্লা।
বরিশালের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট শিকার করেন তাইজুল ইসলাম। এছাড়া দুটি করে উইকেট পেয়েছেন সাইফউদ্দিন ও ম্যাককয়।