বৃহস্পতিবার রাতে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে স্বাগতিকদের মুখোমুখি হয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ঘরের মাঠে রেড ডেভিলদের ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে চেলসি। ইউনাইটেডের হয়ে জোড়া গোল করেন আলেজান্দ্রো গার্নাচো। বাকি গোলটি আসে ব্রুনো ফোর্নান্দেসের পা থেকে। অপরদিকে চেলসির হয়ে হ্যাটট্রিক গোল করেন কোল পালমার। বাকি গোলটি করেন কনর গ্যালাগার।
এদিন ঘরের মাঠে এগিয়ে যেতে খুব বেশি সময় নেয়নি চেলসি। চতুর্থ মিনিটে মালো গুস্তোর থেকে আসা বল রাফায়েল ভারানের পায়ে লেগে চলে আসে গ্যালাগারের কাছে। পরে ১৬ গজ দূর থেকে দারুণ শটে জাল খুঁজে নেন এই মিডফিল্ডার।
.png)
ম্যাচের অষ্টাদশ মিনিটে কুকুরেইয়া ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। সফল স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কোল পালমার।
স্বাগতিকদের ঘরের মাঠে পিছিয়ে পড়লেও হাল ছাড়েনি ইউনাইটেড। আক্রমণ চালাতে থাকে তারাও। যার সুফল পায় ৩৪তম মিনিটে। চেলসি গোলরক্ষকের ভুলে বল পেয়ে যান গার্নাচো। পিছু নেয়া ডিফেন্ডারদের ছিটকে দিয়ে লক্ষ্যভেদ করতে ভুলেননি এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।
এর এক মিনিট পরেই সমতায় ফেরে ইউনাইটেড। ৩৯তম মিনিটে দিয়েগো দালোতের ক্রস থেকে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড ব্রুনো ফার্নান্দেস।
বিরতি থেকে ফিরেই আক্রমণ আরো বাড়িয়ে দেয় ইউনাইটেড। ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে গিয়ে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। আন্টোনির ক্রস থেকে হেডে জাল খুঁজে নেন গার্নাচো।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর ইনজুরি সময়ের নবম মিনিট পর্যন্ত এই স্কোরলাইনে জয়ের আশা দেখছিল ইউনাইটেড। তবে কে জানতো পরের দুই মিনিটে বদলে যাবে ম্যাচের চিত্র।
নবম মিনিটে ননি ফাউলের শিকার হয়ে পেনাল্টি পায় চেলসি। ভিএআর দেখে একই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। সেখান থেকে সফল স্পট কিকে দলকে সমতায় ফেরান পালমার। পরের মিনিটেই সতীর্থের কর্নার থেকে আসা বল জোরাল শটে জালে পাঠিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করার পাশাপাশি দলকে জয় এনে দেন তিনি।
রুদ্ধশ্বাস এই জয়ে ২৯ ম্যাচে ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে দশম স্থানে উঠে এলো চেলসি। এক ম্যাচ বেশি খেলা ইউনাইটেড ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে আছে ষষ্ঠ স্থানে।