ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

কোন রেকর্ড গড়েছেন বুঝতেই পারেননি স্টোকস

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬:০৪, ২৯ জুলাই ২০২৪
কোন রেকর্ড গড়েছেন বুঝতেই পারেননি স্টোকস
ছবি- সংগৃহীত

এজবাস্টন টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে লড়াই জমাতে ব্যর্থ ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তার ফলও ভোগ করেছে ক্যারিবীয়রা। রোববার বেন স্টোকস যে তাণ্ডবলীলা চালিয়েছেন, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। টর্নেডো গতিতে ব্যাটিং করে নতুন রেকর্ড গড়েছেন স্টোকস। যদিও ইংলিশ অধিনায়ক তা বুঝতে পারেননি।

উইন্ডিজকে ধবলধোলাই করতে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৮২ রান। হাতে তখনো ২০০-এর বেশি ওভার বাকি। এমন পরিস্থিতিতে ম্যাচে দ্রুত ফল আনার চিন্তাই যে ছিল ইংলিশদের। 

সচরাচর মিডল অর্ডারে ব্যাটিংয়ে নামা স্টোকস গতকাল তৃতীয় দিনে ওপেনিংয়ে নামলেন। বেন ডাকেটের সঙ্গে স্টোকসের উদ্বোধনী জুটিতে ৪৪ বলে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৮৭ রান করে ফেলে ইংল্যান্ড। 

Advertisement

২৪ বলে ফিফটি করে টেস্টে ইংল্যান্ডের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড নিজের করে নিলেন স্টোকস। সব মিলে তা টেস্টে তৃতীয় দ্রুততম। ইংল্যান্ড অধিনায়ক পেছনে ফেলেছেন ইয়ান বোথামের রেকর্ড। ১৯৮১ সালে দিল্লিতে বোথাম ফিফটি করেছিলেন ২৮ বলে।

এজবাস্টন টেস্টের দুই ইনিংসেই ফিফটি করেছেন স্টোকস। যেখানে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ৫৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। 

ম্যাচ শেষে সম্প্রচারক কোম্পানিকে ইংল্যান্ড অধিনায়ক বলেন, ‘আমি সব সময়ই বেশ ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করেছি। পুরোনো বলের চেয়ে নতুন বলে খেলতে তুলনামূলক ভালো মনে হচ্ছিল। যখন বলটা ব্যাটে লাগাতে পেরেছি, মনে হচ্ছিল কিছু একটা করে ফেলতে পারি। রেকর্ডের ব্যাপারে আমি জানতামই না। আমি প্রত্যেকটা বলই চার অথবা ছক্কা মারার জন্য খেলতে চাচ্ছিলাম।’

এজবাস্টনে গতকাল এক পর্যায়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংসে স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ১২৫ রান। সেখান থেকে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে উইন্ডিজের ইনিংস। ৫০ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রানে অলআউট হয়েছে ক্যারিবীয়রা। টেস্ট ক্যারিয়ারে পঞ্চমবারের মতো এক ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন মার্ক উড। ষষ্ঠ থেকে দশম—শেষ ৫টি উইকেটই নিয়েছেন উড। ৯২ রানে ৭ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন ইংলিশ এই পেসার। 

উডের প্রশংসা করে স্টোকস বলেন, ‘মনে হচ্ছিল সে প্রতি বলেই উইকেট নেবে। অবশ্যই বল যখন ঘণ্টায় ৯৩ মাইল গতিতে রিভার্স সুইং করে, তখন খেলা একটু কঠিন হয়। তার হৃদয় সিংহের মতো এবং ৪৫ মিনিট বা ঘণ্টাখানেক সময়ে সে যা দেখিয়েছে, অধিনায়ক হিসেবে আপনি তার কাছে তেমন কিছুই জানতে চাইবেন। তার স্কিল, এক্স ফ্যাক্টর সব দলই পেতে চাইবে। সে দেখাল আমাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।’

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআইএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!