সোমবার টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা পাকিস্তান ৪৬.৪ ওভারে ২০৩ রানে অল আউট হয়ে যায়। জবাবে ক্যাঙ্গারুরা ৩৩.৩ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে জয়ের মুখ দেখে। এ জয়ের ফলে সিরিজে অস্ট্রেলিয়া ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল।
২০৪ রানের লক্ষ্য তাড়ায় দ্রুত ২ উইকেট হারালেও সেই চাপ সহজেই অজিরা সামলায়। স্টভেন স্মিথ ও জশ ইংলিস তৃতীয় উইকেটে ৮৫ রানের জুটি গড়েন। ব্যক্তিগত ৪৪ রানে স্মিথ ফিরলে জুটি ভাঙে।
.png)
একপর্যায়ে স্বাগতিকদের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ১৩৯, চোখের পলকে তা হয়ে যায় ৬ উইকেটে ১৩৯ রান! ইংলিস হাফ সেঞ্চুরি থেকে এক রান দূরে থাকতে শাহিন শাহ আফ্রিদির শিকারে পরিণত হন। পরপর দুই বলে মার্নাস লাবুশেন ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে সাজঘরে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের আশা জাগান হারিস রউফ। খানিক পর আউট হন অ্যারন হার্ডি।
অষ্টম উইকেটে শন অ্যাবটকে নিয়ে ৩০ রানের মূল্যবান জুতি গড়েন কামিন্স। তবে অ্যাবট ক্রিজ ছাড়লে আবারো জমে ওঠে ম্যাচ। ক্যাঙ্গারুদের জয়ের জন্য তখনো প্রয়োজন ১৯ রান, হাতে ছিল ২ উইকেট।
মিচেল স্টার্ককে নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন ৩১ বলে ৪টি চারে ৩২ রানে অপরাজিত থাকা কামিন্স। বল হাতে ২ উইকেট পাওয়ায় ম্যাচসেরাও তিনি হন। সফরকারীদের হয়ে রউফ ৩টি ও শাহিন আফ্রিদি ২টি উইকেট পান।
এর আগে পাকিস্তান ১১৭ রানেই হারিয়ে ফেলেছিল প্রথম ছয় উইকেট। বাবর আজম ৪৪ বল ৩৭ রান করেঅ্যাডাম জাম্পার বলে বোল্ড হন। অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান করেন ৭১ বলে ৪৪ রান। নয় নম্বরে নামা নাসিম শাহর ৩৯ বলে ৪৪ রান রানের ইনিংসে ভর করে দলটি দুইশ রানের গণ্ডি পেরোয়। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১০ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন স্টার্ক। দুটি করে উইকেট কামিন্স ও জাম্পার।