ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ শিল্প ও সাহিত্য ]

আমি এক ক্ষুধার্ত মাছ

জাহিদ আল হাসান
প্রকাশিত: ১৫:৫১, ২ সেপ্টেম্বর ২০২২
আমি এক ক্ষুধার্ত মাছ
তোমাকে দেখব বলে 

তোমাকে দেখব বলে

তোমাকে দেখব বলে 
হন্য হয়ে বেরিয়ে পড়ি রোজ
বটতলা, ট্রান্সপোর্ট, চৌরঙ্গী কিংবা জলের সিঁড়ি
এত মেয়ে, এত প্রেম! কোথাও তুমি নেই?
এই ‘নেই’ ‘নেই’ হাহাকারের হৃদয় 
যেন এক কাঠফাটা রোদ্দুর মাঠ
তোমাকে পেলেই বাজবে বৃষ্টি ধ্বণি।

Advertisement

তোমাকে দেখব বলে 
হন্য হয়ে বেরিয়ে পড়ি রোজ
যেন তোমার হৃদয়ের ক্ষুদ্র পুকুরে 
আমি এক ক্ষুধার্ত মাছ
আহারের খোঁজে নিত্য ছুটোছুটি করি।

তোমাকে দেখব বলে
গভীর উন্মাদনা নিয়ে রাস্তায় দাঁড়াই
অন্য বন্ধুর সাথে নাটক সাজাই, গল্প বুনি,
হাসাহাসি করি, নায়কোচিত ভঙিমায় সিগারেট খাই
যেন তুমি আমাকে দেখছো! কিংবা দেখছো না! 
তবু মনে হয় তোমার নীল ময়ূর চোখে
আমি এক দুর্দান্ত ক্লোজ শট।

তোমাকে দেখব বলে
আমি আবোল-তাবোল বলি 
যেন পাগল আমি মাতাল, আমি উন্মাদ
তোমার প্রেমে।

বৃষ্টি

আকাশের নগ্ন শরীর ঢেকে উঁকি দেওয়া মেঘে
চোখ মেলে নরম গোধূলি
পুকুর ধারে বসে দেখি-
জলের মঞ্চে নৃত্য করতে করতে এগিয়ে আসছে
হুর পরীদের দল;
শাস্ত্রীয় নৃত্য শেষে জড়িয়ে ধরে ডাঙায়।

আলিঙ্গন শেষে শরীর জড়ানো শিহরণ 
যেনো বৃষ্টি, প্রেমিকার হাসিখুশি মন। 

সুখ

সুখের জইন্যে এট্টা পর এট্টা ঘর ছাইড়্যা 
বেবাক মর্দার অন্তরের মইদ্দ্যে ঢুইকা ঢুইকা বিজলী দ্যাহে-
সুখ?
সিডা কুনো মর্দার অন্তরের মইদ্যেই নাই! 

সুখ পলাইয়া থাহে নিজের মদ্যি। আন্ধার রাইতের আলোরেও তহন জোছনার নাহাল ঠেহে। 

এইডা ভাবতে ভাবতে...
বিজলী ঘরের মদ্যি থিকা হুক্কা ডা আইনা উডানে বইয়া থাহা স্বয়ামি রে দেয়,
স্বয়ামি হুক্কায় দুইডা টান দেয়, আর কয়, আহা, সুখ!
বিজলী পাশ থেইকা দ্যাহে আর আসমানের দিক তাকায়, আহা!  সুখ!

ডেইলি-বাংলাদেশ/এএইচএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!