নিপীড়নের মুখে তার পেশা হলো জেলগুলোকে খুলে দেওয়া এবং সবার আনন্দ-বেদনাকে উচ্চকিত কন্ঠস্বর দেওয়া।
এখানেই শিল্প তার শত্রুদের বিরুদ্ধে নিজের যুক্তিসঙ্গতা প্রমাণ করে যে, সে আসলে কারুরই শত্রু নয়।
.png)
নিজে থেকে শিল্প সম্ভবত রেনেসা বা নবজাগরণ সৃষ্টি করতে পারে না, যা বিচার ও স্বাধীনতাকে সূচিত করে থাকে। তবে শিল্পকে ছাড়া রেনেসা কোনো আকার পায় না এবং শেষপর্যন্ত তা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। কারণ, সংস্কৃতি ও আপেক্ষিক স্বাধীনতা ছাড়া সবচেয়ে যথাযথ সমাজও জঙ্গল ছাড়া আর কিছুই নয়।
একারণেই যে কোনো অকৃত্রিম সৃষ্টিই ভবিষ্যতের জন্যে উপহার।
শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।