তৃতীয়দিনে প্রাণোচ্ছল বইমেলা
ধীরে ধীরে জমতে শুরু করেছে অমর একুশের বইমেলা। তৃতীয়দিনে জনসমাগমের দৃশ্যপট ছিল ভিন্ন। পাঠক, লেখক ও প্রকাশকদের পদচারণায় মেলা প্রাঙ্গণ ছিল প্রাণোচ্ছল।
প্রায় সাড়ে ৭ লাখ বর্গফুট জায়গায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান জুড়ে এ বইমেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবার মেলায় ৩৫টি প্যাভিলিয়নসহ ৫৩৪টি প্রতিষ্ঠানের ৭৭৬টি ইউনিট থাকছে। মেলার প্রথম দুইদিনের তুলনায় আজ লেখক-পাঠক-দর্শনার্থীদের ভিড় বেশ লক্ষণীয়।
অন্যদিকে অধিকাংশ স্টলে বেচা-বিক্রি শুরু হলেও কিছু কিছু স্টলের শেষ মুহূর্তের কাজ এখনো চলছে। কিছু কিছু স্টল বরাদ্দ থাকলেও, সেগুলোতে এখনো কোনো ধরণের কাজ করা হয়নি।
.png)

প্রথম তিনদিন মেলায় প্রত্যাশা অনুসারে বিক্রি হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নে উত্তরে এক প্রকাশক বলেন, প্রথম তিনদিন মোটামুটি বিক্রি হয়েছে। আগামীকাল যেহেতু মেলার প্রথম শুক্রবার, আশা করছি ভালোই বিক্রি হবে।
ডেইলি বাংলাদেশকে ঘাসফুল প্রকাশনের মাহাদীর আনাম বলেন, আমাদের বেশির ভাগ বই নতুন লেখকদের। প্রথম তিনদিনে ভালোই বিক্রি হয়েছে। যদি গত বছরের তুলনা করি, সেক্ষেত্রে শুরুতেই আমাদের বিক্রি ভালো। মেলায় পাঠক-দর্শনার্থীদের সমাগমও ভালো। আগামীকাল বিক্রি বাড়বে বলে আশাবাদী।
শিশুচত্বরের ঝিঙাফুল প্রকাশনের মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন খসরু বলেন, বাচ্চারা বইমেলার প্রাণ। তারা এসে খেলাধূলা করে, রঙ্গিন বইপত্র হাতে নিয়ে দেখে। এটি আনন্দের বিষয়। বিক্রি ভালো হচ্ছে তবে আরো বেশি প্রচারণার প্রয়োজন আমাদের। আগামীকাল শুক্রবার হওয়ায় ভালো বিক্রির অপেক্ষায় আছি।

উল্লেখ্য, এবার মেলায় থাকছে মিশুচত্বর। তবে করোনার কারণে থাকছে না শিশুপ্রহর। থাকছে লেখক মঞ্চ, সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের ব্যবস্থা।
দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার জন্য রাখা হয়েছে মোবাইল কোর্ট। রয়েছে তথ্য কেন্দ্র, টয়লেট ও খাবারের ব্যবস্থা। মেলায় ৪টি প্রবেশ পথ ও বের হওয়ার জন্য রয়েছে ৩টি পথ।