গ্রেফতারকৃতরা হলেন- চট্টগ্রামের হালিশহরের নুর হোসাইন নুরু ও রাজধানীর সবুজবাগের সজীব মিয়া। এছাড়া প্রধান অভিযুক্ত তারিকুল ইসলাম তন্ময় যুবদলের নেতা ও ছাত্র অধিকার পরিষদের সবুজবাগ থানা কমিটির সহ-সভাপতি।
শনিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. আসাদুজ্জামান।
.png)
তিনি বলেন, গুলশান থানায় মামলার পর একটি ফেসবুক আইডি ও একটি ব্লগ থেকে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রমাণ পাওয়ার পর আইডি ও ব্লগের মালিককে শনাক্ত করে চট্টগ্রামের হালিশহর ও নরসিংদী থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ডিসি আসাদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুর আমাদের কাছে স্বীকার করেছে- তার ফেসবুক থেকে ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছে। সে বলেছে তার সিনিয়র এক যুবদলের নেতা তাকে ভিডিওটি পোস্ট করতে বলেছিলেন। নেতার কহায় সে ভিডিওটি ভাইরাল করার চেষ্টা করে। এছাড়া একই নেতার আদেশে সে ফেসবুকে সরকারবিরোধী অনেক পোস্টও দেয় বলে স্বীকার করেছে।
তিনি আরো বলেন, নুর ও সজীবকে গ্রেফতারের পর আমরা আজ আদালতে রিমান্ড আবেদন পাঠিয়েছি। রিমান্ড মঞ্জুর হলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এ ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে পারব। এছাড়া নুরের সিনিয়র যুবদল নেতা ও ছাত্র অধিকার পরিষদের সবুজবাগ থানা কমিটির সহ-সভাপতি তারিকুল ইসলাম তন্ময়কে গ্রেফতার করতে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। যেহেতু তন্ময়ের নির্দেশে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা হয়েছে- তাকে গ্রেফতার করলে কি উদ্দেশ্যে ভিডিওটি ভাইরাল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তা জানা যাবে।