প্রতিটি কুকুরের ঘরের দৈর্ঘ্য ৯ ফুট আর প্রস্থ পাঁচ ফুট। বিছানা, বালিশসহ থাকছে প্রাকৃতিক কাজের বিশেষ ব্যবস্থা। আর প্রতিটি বিড়ালের জন্য রয়েছে ১৬ বর্গফুটের আলাদা কেবিন। থাকছে বিশেষ আদর-আপ্যায়নের ব্যবস্থা।
ফাড়িঘরের মালিক স্থপতি রাকিবুল হক এমিল ও স্থপতি নুজহাত নাবিলা। তারা জানান, মানবসন্তানকে আত্মীয়ের কাছে রেখে বেড়াতে যাওয়া যায়। কিন্তু একটি কুকুরকে আপনি আত্মীয়ের সঙ্গে রেখে যেতে পারবেন না। সবাই প্রাণির সঙ্গে অভ্যস্ত নাও হতে পারে। তাই পোষাপ্রাণির মালিকদের কথা চিন্তা করেই তাদের এমন পরিকল্পনা।
.png)
জানা গেছে, এখানে পোষ্যদের মানসিক অবসাদ দূর করতে থাকছে বিনোদনের ব্যবস্থা, সাউন্ড সিস্টেম, টেলিভিশন। থাকছে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবা।
তবে সব আয়োজন হোটেল কর্তৃপক্ষ করলেও খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে পোষাপ্রাণির মালিককেই। প্রাণিটির সুস্থতার কথা বিবেচনা করেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।
মিরপুরের ফারিঘরে ছোট একটি ক্যাফেও থাকছে। যেন, পোষাপ্রাণি নিয়ে সময়টা উপভোগ করতে পারবেন যে কেউই। এই হোটেল প্রতি রাতে কুকুরের জন্য খরচ হবে ১৫০০ আর বিড়ালের জন্য ৫০০ টাকা।