সরেজমিন দেখা যায়, কেউ পরিবার নিয়ে এসেছেন, কেউ এসেছেন বন্ধুদের সঙ্গে। তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। ঘুরতে আসাদের মধ্যে অনেকে ব্যস্ত ছিলেন টিকটক বানাতে। অনেকে ছবি তোলার আনন্দে মেতে ওঠেন।
পুলিশ প্লাজার পেছনের অংশটায় ছোটদের জন্য বেশ খানিকটা জায়গা করা আছে। তৈরি করে রাখা হয়েছে বিশালাকৃতির কয়েকটি হাতি। একটু মাঠের মতো করে বানানো। সেখানে যেন বাচ্চাদের মিলনমেলা।
.png)
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন খলিলুর রহমান। তিনি রামপুরা থেকে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ঘুরতে এসেছেন। তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে একটু দূরে খেলছেন। তিনি দূর থেকে দেখছেন।
খলিলুর রহমান বলেন, চাকরি করে আর সময় থাকে না। বাচ্চাদেরও বাসাতেই থাকতে হয় সারাক্ষণ। আমিও ব্যস্ত থাকি। ওদের মা সংসার সামলাতে ব্যস্ত। ছুটির দিন হওয়ায় ঘুরতে বের হলাম।
দেখা মেলে বেশকিছু যুগলের। তাদের একজন হাসান বলেন, বিয়ে করেছি কিছুদিন হলো। স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে এসেছি। ছুটির দিন হওয়ায় হাতিরঝিলে প্রচুর মানুষের সমাগম। তারপরও ভালো লাগছে।