সেই অমোঘ ধারায় যেন উতলে উঠেছে রাজধানীর বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র। ঈদের নামাজ শেষে কেউ ঘুরতে বের হয়েছে পার্কে কেউবা আবার ঘুরতে বেরিয়েছে পছন্দের কোনো জায়গায়।
এদিকে মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা গেছে, নতুন পোশাকের রঙে হাতিরঝিল পরিণত হয়েছে এক টুকরো রঙিন ক্যানভাসে। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুবান্ধব নিয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে এসেছেন অসংখ্য মানুষ। তবে বড়দের আনন্দ থেকে ছোটোদের আনন্দ ও উচ্ছ্বাস বেশি দেখা গেছে। শিশু-কিশোরদের দৌড়াদৌড়ি ও হুড়োহুড়িতে গোটা হাতিরঝিল পরিণত হয়েছে আনন্দ নগরীতে।
.png)
দর্শনার্থীদের আগমন উপলক্ষে হাতিরঝিলের ফুটপাতে ফুসকা-চটপটিসহ নানা রকম মুখরোচক খাবারের পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। ঘোরাঘুরি শেষে এসব দোকানে বসে পছন্দমতো খাবার খাচ্ছেন অনেকেই।
মো. সাদমান সাইফ (১১) দক্ষিণ শাহজাদপুর থেকে বাবা মায়ের সঙ্গে হাতিরঝিল ঘুরতে এসেছে। বাবার কিনে দেওয়া গ্যাস বেলুন ঘুড়ির মতো আকাশে ওড়াচ্ছে সাইফ।
সাইফের ঘুড়ি ওড়ানোর দৃশ্য তৃপ্ত চোখে দেখছেন বাবা মো. সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, ছেলের এ আনন্দ দেখে খুব ভালো লাগছে। ঈদ আনন্দ আসলে ছোটদেরই, তাদের আনন্দ দেখে আমরা খুশি।
রাজধানীর মিরপুর থেকে পরিবার নিয়ে হাতিরঝিলে এসেছেন রহিম উদ্দীন। তিনি বলেন, সকালে যখন বৃষ্টি শুরু হয়েছিল তখন মনটা অনেক খারাপ হয়ে গিয়েছিল। ঘরে বসে ভাবছিলাম এবার ঈদের দিনেও বুঝি বের হতে পারব না। দুপুরের পর রোদ ওঠায় মনে ঈদের খুশি লাগতে থাকে। এখন হাতিরঝিল ঘুরব। হাতিরঝিল থেকে সন্ধ্যার দিকে যাব টিএসসিতে।
এদিকে ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল নিয়ে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে অনেককে। আবার অনেকে হাতিরঝিলের ওয়াটার ট্যাক্সিতে ঘুরে ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন।
আগত দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের ছুটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আনন্দ-উৎসব চলমান থাকবে রাজধানীর বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে।