শুক্রবার রাত ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ খবর পেয়ে বিছানায় পড়ে থাকা ঐ গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোহাগীর গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার উত্তর গুপিনাথপুর গ্রামে। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের মা ছিলেন।
.png)
তবে এ ঘটনায় পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্বামীর সঙ্গে কলহের জেরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন সোহাগী নামের ঐ গৃহবধূ।
সোহাগের স্বামী আমির হোসেন বলেন, গতকাল আমি অফিসের কাজের জন্য বাইরে যাই। রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাসায় ফিরলে, পারিবারিক বিষয় নিয়ে আমাদের মাঝে ঝগড়া হয়। পরে আমার স্ত্রী নিজের রুমে গিয়ে দরজা আটকে দেয়। পরে দরজার কাছে গিয়ে ডাকাডাকি করে সাড়া না পাওয়ায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকি। দেখি, আমার স্ত্রী ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে।
খিলগাও থানার এসআই সোনিয়া পারভীন বলেন, আমার খবর পেয়ে বনশ্রীর এইচ ব্লকের সাততলার ফ্ল্যাটটিতে যাই। সেখান থেকে একটি লোহার খাটে শোওয়ানো অবস্থায় সোহাগীর মরদেহ উদ্ধার করি।
তিনি বলেন, পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।